হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী,
মজিদুল ইসলাম শাহ
সংক্ষিপ্তসার
আহলে বাইত (আ.) সকল সৃষ্টির ভাষা সম্পর্কে অবগত ছিলেন-এমন বিশ্বাস কুরআনের আয়াত (যেমন হযরত সুলাইমান (আ.)-এর পাখিদের ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান) এবং অসংখ্য রেওয়ায়েতের ভিত্তিতে গুলু বা অতিরঞ্জন নয়; বরং বিশ্বজনীন হেদায়েতের জন্য আল্লাহর হুজ্জত হওয়ার মর্যাদারই একটি দাবি। এই জ্ঞান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত; ইমামগণ (আ.) কখনোই এটিকে আল্লাহ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বয়ংসম্পূর্ণ কোনো সত্তাগত জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করেননি।
উত্তর
আহলে বাইত (আ.) সকল সৃষ্টির ভাষা সম্পর্কে অবগত ছিলেন-এমন বিশ্বাস এমন একটি বিষয়, যেটিকে কেউ কেউ ইমামগণের (আ.) মর্যাদার ক্ষেত্রে গুলু ও অতিরঞ্জনের উদাহরণ বলে মনে করেছেন। কিন্তু দলিলসমূহ গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এই মর্যাদা শুধু গুলু নয়-বরং কুরআনের আয়াত, মাসুমগণের (আ.) রেওয়ায়েত এবং বুদ্ধি ও প্রচলিত যুক্তির দৃষ্টিতেও এটি সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও জন্য এ মর্যাদা সম্ভব ও বাস্তব-এ বিষয়ে কুরআনের দলিল
পবিত্র কুরআনের কয়েকটি স্থানে সুস্পষ্টভাবে হযরত সুলাইমান (আ.)-এর পাখিদের ভাষা সম্পর্কে জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে:
﴿قَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ عُلِّمْنَا مَنْطِقَ الطَّيْرِ﴾
তিনি বললেন, হে মানুষ! আমাদের পাখিদের ভাষা শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। [১]
যদি এই জ্ঞান অসম্ভব বা গুলু-অতিরঞ্জনের বিষয় হতো, তাহলে কুরআনে কখনোই তা হযরত সুলাইমান (আ.)-এর মতো একজন নবীর বিশেষ মর্যাদা হিসেবে উল্লেখ করা হতো না।
এছাড়া অন্যান্য আয়াতে হযরত সুলাইমান (আ.)-এর জিন, শয়তান ও পাখিদের ওপর কর্তৃত্বের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে:
﴿وَحُشِرَ لِسُلَيْمَانَ جُنُودُهُ مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ وَالطَّيْرِ فَهُمْ يُوزَعُونَ﴾
সুলাইমানের জন্য তাঁর সৈন্যবাহিনী-জিন, মানুষ ও পাখিদের-সমবেত করা হয়েছিল। অতঃপর তাদেরকে সারিবদ্ধভাবে একত্রিত করা হয়েছিল। [২]
﴿وَمِنَ الْجِنِّ مَنْ يَعْمَلُ بَيْنَ يَدَيْهِ بِإِذْنِ رَبِّهِ﴾
আর জিনদের মধ্যে কেউ কেউ তার প্রতিপালকের অনুমতিতে তাঁর সামনে কাজ করত। [৩]
﴿وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَنْ يَغُوصُونَ لَهُ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَلِكَ وَكُنَّا لَهُمْ حَافِظِينَ﴾
আর শয়তানদের মধ্যে কেউ কেউ তার জন্য পানিতে ডুব দিত এবং এ ছাড়াও অন্যান্য কাজ করত। আর আমরা তাদের সংরক্ষণ করতাম। [৪]
স্পষ্টতই, এসব সৃষ্টির ওপর কর্তৃত্ব করা তাদের ভাষা ও অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান ছাড়া সম্ভব নয়। অতএব, আল্লাহ ছাড়া তাঁর একজন বান্দার জন্যও কুরআনে এ ধরনের জ্ঞান প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং এটিকে গুলু বা অতিরঞ্জন বলা যায় না।[৫]
এছাড়াও কুরআন হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে জিন ও মানবজাতির নবী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে:
﴿قُلْ أُوحِيَ إِلَيَّ أَنَّهُ اسْتَمَعَ نَفَرٌ مِنَ الْجِنِّ...﴾
বলুন, আমার প্রতি ওহি করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ দিয়ে শুনেছে... [৬]
যদি রাসুলুল্লাহ (সা.) জিনদের ভাষা বুঝতে না পারতেন, তাহলে কীভাবে তিনি তাদের প্রতি তাঁর নবুয়তের দায়িত্ব পালন করতে পারতেন?
এছাড়াও কুরআন রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সকল মানুষের কাছে-তাদের ভাষা ও জাতি নির্বিশেষে-কুরআনের বাণী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে:
﴿أُوحِيَ إِلَيَّ هَذَا الْقُرْآنُ لِأُنْذِرَكُمْ بِهِ وَمَنْ بَلَغَ﴾
আর আমার প্রতি এই কুরআন ওহি করা হয়েছে, যাতে এর মাধ্যমে আমি তোমাদের এবং যার কাছেই এটি পৌঁছবে, তাকে সতর্ক করতে পারি। [৭]
﴿أَنَّمَا عَلَى رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ﴾
জেনে রাখো, আমাদের রাসুলের ওপর কেবল সুস্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। [৮]
সুস্পষ্টভাবে বাণী পৌঁছে দেওয়ার জন্য নবী (সা.)-এর তাঁর শ্রোতাদের ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অতএব, বিভিন্ন ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান তাঁর বিশ্বজনীন রিসালাত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয়। আর তাঁর মাসুম উত্তরসূরিদের ক্ষেত্রেও এই প্রয়োজনীয়তা একইভাবে বিদ্যমান।[৯]
আহলে বাইত (আ.)-এর জন্য এ মর্যাদার পক্ষে বর্ণনাভিত্তিক দলিল
ইমামগণ (আ.) থেকে অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে, যেগুলোতে এই জ্ঞানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং অভিযোগকারী উট
জাবির ইবন আব্দুল্লাহ আনসারি বর্ণনা করেন, একটি উট রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বুক মাটিতে রেখে কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করতে লাগল। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন: এই উটটি বলছে-তোমাদের ছোটদের লালন-পালন করেছি এবং তোমাদের বড়দের জন্য পরিশ্রম করেছি; অথচ এখন তোমরা আমাকে জবাই করতে চাচ্ছ।
এরপর মহানবী (সা.) সেই উটটিকে মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।[১০]
এই রেওয়ায়েত থেকে বোঝা যায় যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রাণীর ভাষা বুঝতে পারতেন।
২. ইমাম সাদিক (আ.) এবং নাবতি ভাষা
আম্মার ইবনে মুসা সাবাতি বলেন: আমি ইমাম সাদিক (আ.)-কে নাবতি ভাষায়-যা ইরাকের মানুষের ভাষা-কথা বলতে দেখলাম। আমি বললাম, আপনার চেয়ে অধিক বিশুদ্ধভাষী কাউকে আমি দেখিনি!
ইমাম (আ.) বললেন:
«يَا عَمَّارُ بِكُلِّ لِسَانٍ»
হে আম্মার! সকল ভাষায়। [১১]
৩. ইমাম কাযিম (আ.) এবং ইমামের নিদর্শন
আবু বাসির ইমাম কাযিম (আ.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: কোন নিদর্শনের মাধ্যমে ইমামকে চেনা যায়?
তিনি বললেন: কোনো মানুষ, পাখি, প্রাণী বা জীবন্ত সৃষ্টির কথা ইমামের কাছে গোপন থাকে না। আর যার মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য নেই, সে ইমাম নয়। [১২]
৪. ইমাম রেজা (আ.) এবং আবু সালতকে উত্তর
আবু সালত বলেন: আমি ইমাম রিযা (আ.)-কে বললাম, আপনি সকল ভাষা সম্পর্কে অবগত—এ বিষয়টি আমাকে বিস্মিত করে।
তিনি বললেন: হে আবু সালত! আমি আল্লাহর সৃষ্টির ওপর তাঁর হুজ্জত। আর আল্লাহ এমন কাউকে কোনো সম্প্রদায়ের ওপর হুজ্জত করেন না, যে তাদের ভাষা জানে না। তুমি কি আমিরুল মুমিনিন (আ.)-এর এই বক্তব্য শোননি যে, আমাদেরকে ফাসলুল-খিতাব (সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদানের ক্ষমতা) দেওয়া হয়েছে? ফাসলুল-খিতাব হলো ভাষাসমূহের জ্ঞান। [১৩]
৫. ইমাম রেজা (আ.) এবং চড়ুই পাখি
জাফর ইবনে আবি তালিবের বংশধর সুলাইমান বর্ণনা করেন:
আমরা ইমাম রেজা (আ.)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় একটি চড়ুই এসে শব্দ করতে লাগল। ইমাম (আ.) বললেন: তুমি কি জানো, এটি কী বলছে? একটি সাপ তার বাসায় প্রবেশ করেছে এবং তার বাচ্চাগুলোকে খেতে চায়। যাও এবং সাপটিকে মেরে ফেল।
সুলাইমান বলেন, আমি গিয়ে সাপটিকে হত্যা করলাম। [১৪]
বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রচলিত যুক্তি
বুদ্ধির দৃষ্টিতে, যদি ইমামগণ (আ.) পৃথিবীতে আল্লাহর হুজ্জত হন এবং ইসলাম সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য প্রেরিত হয়ে থাকে, তাহলে ইমাম (আ.)-এর এমন সক্ষমতা থাকা উচিত, যার মাধ্যমে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল ও বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং তাদের হেদায়েতের প্রয়োজনীয়তার উত্তর দিতে পারেন।
এছাড়াও শেষ যুগে হযরত মাহদি (আ.)-এর বিশ্বব্যাপী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এমন একজন নেতৃত্বের প্রয়োজন, যিনি বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলতে সক্ষম হবেন।
এ ক্ষেত্রে সর্বত্র অনুবাদকের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়; কারণ সব সময় এবং সব স্থানে এমন অনুবাদক পাওয়া সম্ভব নয়, যারা পৃথিবীর সকল ভাষা সম্পর্কে দক্ষ। অতএব, ইমাম (আ.)-এর জন্য এ ধরনের জ্ঞান থাকা একটি প্রয়োজনীয় ও যুক্তিসঙ্গত বিষয়। [১৫]
শায়খ মুফিদ এ প্রসঙ্গে বলেন: ইমামদের সকল ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অসম্ভব নয়; বরং নওবখতীয়রা এটিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে অপরিহার্য মনে করেন। [১৬]
এছাড়াও রিজালুল কাশ্শি-তে বর্ণিত হয়েছে: কিছু শিয়া বিশ্বাস করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) পৃথিবীর সকল মানুষের ভাষা এবং প্রাণীদের ভাষা জানতেন এবং প্রত্যেক যুগে এমন একজন ব্যক্তির থাকা আবশ্যক, যিনি এই জ্ঞানের অধিকারী। [১৭]
গুলু ও বাস্তব মর্যাদার মধ্যে পার্থক্য
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-কেবল গুলুকারীরা কোনো একটি মর্যাদা বা বৈশিষ্ট্য বিশ্বাস করে বলেই সেই মর্যাদা গুলু হয়ে যায় না। গুলুকারীরাও আহলে বাইত (আ.)-এর প্রকৃত মর্যাদাসমূহ স্বীকার করে এবং একই সঙ্গে সেগুলোর ক্ষেত্রে বাড়াবাড়িও করে। সুতরাং প্রত্যেকটি মর্যাদাকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও বর্ণনাভিত্তিক দলিলের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।
শায়খ মুফিদ এ প্রসঙ্গে বলেন: গুলুকারীরাও আমাদের মতো বিশ্বাস করে যে, ইমামগণ সকল ভাষা সম্পর্কে অবগত। তবে তাদের থেকে আমাদের পার্থক্য হলো-আমরা ইমামদের জ্ঞানকে আল্লাহ তাআলার জ্ঞানের মতো সত্তাগত মনে করি না। কারণ এভাবে ব্যাখ্যা করা গুলু। [১৮]
অতএব, ভাষাসমূহ সম্পর্কে ইমামদের (আ.) জ্ঞান হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত ও তাঁর মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান; এটি কোনো সত্তাগত এবং আল্লাহর ইচ্ছা থেকে স্বাধীন জ্ঞান নয়।
ফলাফল
আহলে বাইত (আ.) সকল সৃষ্টির ভাষা সম্পর্কে অবগত ছিলেন-এমন বিশ্বাস শুধু গুলু নয়; বরং কুরআন, অসংখ্য বর্ণনা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রচলিত যুক্তির আলোকে এটি ইমামত ও আল্লাহর হুজ্জত হওয়ার মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
এই জ্ঞান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত জ্ঞান হিসেবে বিশ্বজনীন হেদায়েত এবং বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচারভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় ও অনিবার্য। গুলু তখনই হবে, যখন এই জ্ঞানকে আল্লাহ থেকে স্বতন্ত্র ও সত্তাগত জ্ঞান হিসেবে অথবা আল্লাহর ইচ্ছা থেকে স্বাধীনভাবে সৃষ্টিজগতের বিষয়ে কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা হিসেবে ইমামদের (আ.) প্রতি আরোপ করা হবে। স্বয়ং ইমামগণ (আ.) এবং শিয়া আলেমগণ সব সময় এ ধরনের ব্যাখ্যা থেকে নিজেদের দূরে রেখেছেন।
অতএব, শিয়া মতবাদের মৌলিক শিক্ষার কাঠামোর মধ্যে এই মর্যাদা সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত এবং দলিল দ্বারা সমর্থনযোগ্য।
তথ্যসূত্র:
[১] সূরা আন-নামল, আয়াত ১৬।
[২] সূরা আন-নামল, আয়াত ১৭।
[৩] সূরা সাবা, আয়াত ১২।
[৪] সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৮২।
[৫] সুলাইমানিয়ান, মাকামাতে ইমামান, পৃ. ৩১৯–৩২০।
[৬] সূরা আল-জিন, আয়াত ১–২।
[৭] সূরা আল-আন‘আম, আয়াত ১৯।
[৮] সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৯২।
[৯] ইলালুশ শরায়ে, খণ্ড ১, পৃ. ১০৫ ও ১২৫; উয়ুনু আখবারির রেজা, খণ্ড ২, পৃ. ১৩৯।
[১০] আল-ইখতিসাস, পৃ. ২৯৬; বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ১৭, পৃ. ৪০১; বাসায়িরুদ দারাজাত, খণ্ড ১, পৃ. ৩৪৮।
[১১] আল-ইখতিসাস, পৃ. ২৮৯।
[১২] আল-কাফি, খণ্ড ১, পৃ. ২৮; আল-ইরশাদ, খণ্ড ২, পৃ. ২২৪।
[১৩] উয়ুনু আখবারির রেজা, খণ্ড ২, পৃ. ২২৮।
[১৪] দালাইলুল ইমামাহ, পৃ. ৩৪৩; কাশফুল গুম্মাহ, খণ্ড ২, পৃ. ৩০৫; বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৪৯, পৃ. ৮৮।
[১৫] সুলাইমানিয়ান, মাকামাতে ইমামান, পৃ. ৩২৪।
[১৬] আওয়াইলুল মাকালাত, পৃ. ৭৭।
[১৭] রিজালুল কাশ্শি, পৃ. ৫৪০।
[১৮] আওয়াইলুল মাকালাত, পৃ. ৩৭।
আপনার কমেন্ট