Nouvelles
plus visité
ধর্ম ও মাজহাব
تیتر سه سرویس
-
তৌরাত এবং মৃতের জন্য ক্রন্দন নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান ও হুকুম
হযরত উমর (রা) কয়েকজন সাহাবাকে মহানবীর (সাঃ) হাদীস বেশি বেশি বর্ণনা করার জন্য তিরস্কার ও ভর্ৎসনা এমনকি প্রহার ও হাবস (কারারুদ্ধ) পর্যন্ত করেছেন!!!
-
তৌরাত এবং মৃতের জন্য ক্রন্দন নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান ও হুকুম
আব্দুল্লাহ ইবনে আবিস সাফার বলেন: আমি শা'বীকে বলতে শুনেছি: আমি ইবনে উমরের (রা) সাথে এক বছর উঠাবসা করছি (থেকেছি)। কিন্তু আমি তাঁকে কখনো রাসূলুল্লাহ (সা) থেকে কোনো কিছুই (হাদীস) বর্ণনা করতে শুনিনি।
-
জয়নাবি মক্তব:
সামাজিক জাগরণে ও কুফাবাসীর বিদ্রোহের ভিত্তি তৈরিতে হযরত উম্মে কুলসুম (আ.)-এর ভূমিকা
হযরত উম্মে কুলসুম (সা.আ.) ছিলেন একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব এবং আশুরার আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নারী। তিনি কারবালায় উপস্থিত থাকা, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর সঙ্গে পথচলা, কুফায় সত্য উদ্ঘাটনকারী ভাষণ প্রদান, দান-সদকা গ্রহণে অস্বীকৃতি, ইবনে জিয়াদের সামনে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়ানো এবং শামের পথে আহলে বাইতের নারীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবারের মর্যাদা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
-
জয়নাবি মক্তব:
সামাজিক জাগরণে ও কুফাবাসীর বিদ্রোহের ভিত্তি তৈরিতে হযরত উম্মে কুলসুম (আ.)-এর ভূমিকা
হযরত উম্মে কুলসুম (সা.আ.) ছিলেন একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব এবং আশুরার আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নারী। তিনি কারবালায় উপস্থিত থাকা, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর সঙ্গে পথচলা, কুফায় সত্য উদ্ঘাটনকারী ভাষণ প্রদান, দান-সদকা গ্রহণে অস্বীকৃতি, ইবনে জিয়াদের সামনে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়ানো এবং শামের পথে আহলে বাইতের নারীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবারের মর্যাদা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
-
আমরা সারা বিশ্বে অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের লাল পতাকা উঁচু করব
ইমাম খামেনেয়ীর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কুরআনের ‘কিসাস’ (আইনি প্রতিশোধ) দাবি করে বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, চূড়ান্ত ঐশী প্রতিশোধের অপেক্ষা যেন উম্মতকে তাৎক্ষণিক ন্যায়বিচার থেকে উদাসীন না করে। মুসলিম যুবকদের প্রতি আহ্বান—এই কিসাসই কুদস বিজয় ও ইসরাইল ধ্বংসের সূচনা; আমেরিকার পতনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নিষ্ক্রিয়তা জুলুমের পুনর্জন্ম ঘটাতে পারে, তাই এখনই জাগ্রত হওয়ার সময়।
-
শহীদ নেতা ইরান ও বিপ্লবের জন্য কী উত্তরাধিকার রেখে গেছেন?
হাওজা / ক্ষেত্র: শহীদ নেতার ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর সর্বাঙ্গীণতা। পরিপূর্ণ মানুষ তথা নিষ্পাপ ইমামগণ (আ.)-এর পর, যেসব মহান আলেম সর্বাঙ্গীণতার অধিকারী হন, তাদেরকে নিষ্পাপদের অনুগামী হিসেবে গণ্য করা হয় এবং আমাদের শহীদ নেতাও ছিলেন ঠিক সেই ধরনের ব্যক্তিত্বের অধিকারী।
-
তৌরাত এবং মৃতের জন্য ক্রন্দন নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান ও হুকুম
মাল'ঊন গযব প্রাপ্ত ইয়াহূদীদের কিতাবে বিদ্যমান আছে:"হে বৎস! আমি তোমার দুই চোখের শাহওয়াত (দর্শনেন্দ্রিয়ের কামনা-বাসনা এবং রিপু ও প্রবৃত্তির তাড়না) এক আঘাতেই ছিনিয়ে নেব।অতএব, আর তোমরা বিলাপ ও ক্রন্দন করো না এবং স্বীয় অশ্রু প্রবাহিত করো না।শান্ত ও ধীর স্থির হয়ে যাও এবং চুপচাপ থাকো।আর মৃতের জন্য বিলাপ ও শোক (নাওহা বা নিয়াহা) করো না।
-
ইমাম হুসাইন (আ.) যখন জানতেন যে তিনি শহীদ হবেন, তখনও কেন তিনি আন্দোলন (কিয়াম) শুরু করেছিলেন?
যদি ইমাম হুসাইন (আ.) জানতেন যে তিনি কারবালায় শহীদ হবেন, তবে তিনি কেন কারবালার দিকে রওনা হয়েছিলেন?
-
ভীতু মুসলিম; ইসলামী উম্মাহর দেহে এক বেমানান সংযোজন
ভীতু ও দুর্বল মুসলিম কেবল ওহির দৃষ্টিভঙ্গিতেই কোনো মর্যাদা রাখে না; বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘সৎকর্ম’-অর্থাৎ কুফরের শক্তিকে ক্রুদ্ধ করা-উপেক্ষা করার মাধ্যমে সে কার্যত চিরস্থায়ী ক্ষতির পথেই অগ্রসর হয়।
-
ইরান-ইরাক জুড়ে খামেনেয়ীর স্মারকে বিরাট জনসমাবেশ; ট্রাম্পের হুমকির মাঝেই আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত, মার্কিন-মধ্যস্থতায় শান্তি প্রচেষ্টার অচলাবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও ইরাক জুড়ে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর স্মরণে আয়োজিত বিরাট জানাজা অনুষ্ঠানমালা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে বিতর্কের সূচনা করেছে।
-
ইমাম হুসাইন (আ.); পথনির্দেশের প্রদীপ, মুক্তির নৌকা এবং মানবতার শেষ আশা: মাওলানা তাকি আব্বাস রিজভি
কারবালা শুধু ৬১ হিজরির দশম মুহররমের একটি ঘটনা নয়, এটি কেবল একটি যুদ্ধও নয় এবং শুধু একটি হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডিও নয়; বরং এটি মানব বিবেকের জাগরণ, দ্বীনের স্থায়িত্ব এবং সত্যের গৌরবের একটি চিরন্তন আন্দোলন। আশুরা একটি দিনের নাম নয়, বরং এটি একটি চিন্তা, একটি বার্তা এবং একটি অবিনশ্বর আহ্বানের নাম।
-
হুসাইন (আ.)-এর শোকানুষ্ঠান: ক্রন্দন, শিক্ষা ও উম্মত গঠন কারবালাকে শুধু কাঁদবেন না, বুঝুনও; শুধু বুঝবেন না, গ্রহণও করুন
ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কুরবানির মূল বার্তা অশ্রুর বাইরে গিয়ে চেতনা, চরিত্র, সেবা, নেতৃত্ব এবং উম্মত গঠন পর্যন্ত বিস্তৃত।
-
তৌরাত এবং মৃতের জন্য ক্রন্দন নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান ও হুকুম
মাল'ঊন গযব প্রাপ্ত ইয়াহূদীদের কিতাবে বিদ্যমান আছে: "হে বৎস! আমি তোমার দুই চোখের শাহওয়াত (দর্শনেন্দ্রিয়ের কামনা-বাসনা এবং রিপু ও প্রবৃত্তির তাড়না) এক আঘাতেই ছিনিয়ে নেব।
-
«مِثْلِي لَا يُبَايِعُ مِثْلَهُ» "আমার মতো ব্যক্তি কখনো তার মতো ব্যক্তির বাইয়াত করতে পারে না"
ইমাম হুসাইন (আ.)-এর ব্যক্তিগত ঘোষণা, নাকি নবুয়তের আহলে বাইতের চিরন্তন অবস্থান? বাহ্যিকভাবে এটি একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য, কিন্তু এর অভ্যন্তরে জ্ঞান, সত্য ও চিন্তার একটি বিস্তৃত জগৎ লুকিয়ে আছে। দুঃখের বিষয়, এই বাক্যটিকে প্রায়শই নিছক একটি ব্যক্তিগত বা ঐতিহাসিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে বোঝা হয়েছে, যেন ইমাম হুসাইন (আ.) শুধু এইটুকুই বলছিলেন যে, "আমি ইয়াজিদের বাইয়াত করব না," অথচ বাস্তবতা এর চেয়ে অনেক গভীর।
-
«مِثْلِي لَا يُبَايِعُ مِثْلَهُ» "আমার মতো ব্যক্তি কখনো তার মতো ব্যক্তির বাইয়াত করতে পারে না"
বাহ্যিকভাবে এটি একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য, কিন্তু এর অভ্যন্তরে জ্ঞান, সত্য ও চিন্তার একটি বিস্তৃত জগৎ লুকিয়ে আছে। দুঃখের বিষয়, এই বাক্যটিকে প্রায়শই নিছক একটি ব্যক্তিগত বা ঐতিহাসিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে বোঝা হয়েছে, যেন ইমাম হুসাইন (আ.) শুধু এইটুকুই বলছিলেন যে, "আমি ইয়াজিদের বাইয়াত করব না," অথচ বাস্তবতা এর চেয়ে অনেক গভীর।
-
হুসাইনী শোক পালন; দ্বীনের পুনর্জাগরণ, আহলে বাইত (আ.)-এর মকতব-এর স্থায়িত্ব এবং উম্মতের জাগরণের রহস্য!
মহররমের শোক পালন নিছক একটি আনুষ্ঠানিক শোক বা কয়েকটি অশ্রু ফেলার নাম নয়, বরং এটি স্বাধীনতা, আত্মত্যাগ, জুলুম প্রতিরোধ, সত্যকামনা ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার এক চিরস্থায়ী আন্দোলন।