Nouvelles

plus visité

تیتر سه سرویس

  • মুবাহালা: সত্য ও মিথ্যার ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জে আহলে বাইতের বিজয়

    মুবাহালা: সত্য ও মিথ্যার ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জে আহলে বাইতের বিজয়

    নবম হিজরিতে নাজরানের খ্রিস্টান প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ধর্মীয় বিতর্ক এক পর্যায়ে পৌঁছে যায় মুবাহালার আহ্বানে-যেখানে সত্য ও মিথ্যার ফয়সালার জন্য আল্লাহর কাছে অভিশাপ প্রার্থনার চ্যালেঞ্জ জানানো হয়। মহানবী (সা.) যখন তাঁর আহলে বাইত-হযরত আলী (আ.), হযরত ফাতিমা (আ.), ইমাম হাসান (আ.) ও ইমাম হুসাইন (আ.)-কে সঙ্গে নিয়ে মুবাহালার ময়দানে উপস্থিত হন, তখন নাজরানের খ্রিস্টান নেতারা তাঁর সত্যতার দৃঢ়তা ও আধ্যাত্মিক মহিমা প্রত্যক্ষ করে মুবাহালা থেকে সরে দাঁড়ান। ইসলামের ইতিহাসে এ ঘটনা সত্যের বিজয়, আহলে বাইতের মর্যাদা এবং ইসলামের গ্রহণযোগ্যতার এক উজ্জ্বল দলিল হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

  • মুবাহালা দিবস: সত্য ও মিথ্যার চূড়ান্ত ফয়সালা

    মুবাহালা দিবস: সত্য ও মিথ্যার চূড়ান্ত ফয়সালা

    ইসলামের ইতিহাসে মুবাহালা একটি অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, যা একদিকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুওয়াতের সত্যতার প্রমাণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, অন্যদিকে আহলে বাইতের (আ.) মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বেরও উজ্জ্বল দলিল। নাজরানের খ্রিষ্টান প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ধর্মতাত্ত্বিক বিতর্কের এক পর্যায়ে কুরআনের নির্দেশে সংঘটিত এই ঐতিহাসিক ঘটনায় মহানবী (সা.) তাঁর নিকটতম চারজন-হযরত আলী (আ.), হযরত ফাতিমা (আ.), ইমাম হাসান (আ.) ও ইমাম হুসাইন (আ.)-কে সঙ্গে নিয়ে মুবাহালার ময়দানে উপস্থিত হন। তাঁদের আধ্যাত্মিক মর্যাদা প্রত্যক্ষ করে নাজরানের প্রতিনিধিরা মুবাহালা থেকে সরে এসে শান্তিচুক্তিতে সম্মত হয়, যা ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

  • ওজু ও গোসলে পানির অপচয় এবং ইবাদতের শুদ্ধতার ওপর তার প্রভাব

    ওজু ও গোসলে পানির অপচয় এবং ইবাদতের শুদ্ধতার ওপর তার প্রভাব

    আয়াতুল্লাহ আল-উজমা মাকারেম শিরাজীর প্রতিনিধি বলেছেন, ওজু ও গোসলে পানির অপচয় (ইসরাফ) শরিয়তসম্মতভাবে হারাম এবং এটি কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। তবে একটি বিশেষ অবস্থা ছাড়া এ ধরনের অপচয় ওজু বা গোসলকে বাতিল করে না।

  • মাহদাভিয়াত বিষয়ে সুন্নি ও শিয়া মাজহাবের সাধারণ ঐক্যমত

    ‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৫

    মাহদাভিয়াত বিষয়ে সুন্নি ও শিয়া মাজহাবের সাধারণ ঐক্যমত

    আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও শিয়া উভয় সম্প্রদায়ই বহু হাদিসে “মাহদাভিয়াত” বা হযরত ইমাম মাহদী (আ.ফা.)–এর আবির্ভাব সম্পর্কিত আকীদাকে স্বীকার করেছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য বিদ্যমান, তবে মৌলিক বহু বিষয়ে উভয় মতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐক্য রয়েছে।

  • লোভ: পাপের পথে এক বিপজ্জনক প্ররোচনা

    লোভ: পাপের পথে এক বিপজ্জনক প্ররোচনা

    ইমাম হাসান (আ.) এক মূল্যবান বাণীতে মানুষের জীবিকা, সংযম এবং লোভের প্রকৃত সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, সংযম ও পবিত্রতা মানুষের রিজিক কমিয়ে দেয় না, আবার লোভ-লালসাও অতিরিক্ত রিজিক এনে দিতে পারে না। বরং লোভ মানুষকে পাপের পথে পরিচালিত করে।

  • নৈতিক গুণাবলিকে মোহরানা হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে কি?

    নৈতিক গুণাবলিকে মোহরানা হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে কি?

    নৈতিকতা, সততা বা উত্তম চরিত্রের মতো গুণাবলিকে কি বিবাহের মোহরানা হিসেবে নির্ধারণ করা বৈধ? এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নিজের মতামত জানিয়েছেন আয়াতুল্লাহ সিস্তানি।

  • হযরত ফাতিমা যাহরা সালামুল্লাহি আলাইহা’র তাসবীহের ফজিলত

    হযরত ফাতিমা যাহরা সালামুল্লাহি আলাইহা’র তাসবীহের ফজিলত

    ইসলামে কিছু আমল রয়েছে, যা সময়ে অল্প হলেও মর্যাদা ও সওয়াবের দিক থেকে অত্যন্ত মহান। নামাজের পর হযরত ফাতিমা যাহরা (সা.)-এর তাসবীহ পাঠ তেমনই একটি আমল। ইমাম জাফর আস-সাদিক (আ.)-এর একটি হাদিসে এ তাসবীহের এমন ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে, যা এর আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরে।

  • ওয়াক্ত হওয়ার আগে নামাজ আদায়ের বিধান

    শরিয়তের হুকুম-আহকাম:

    ওয়াক্ত হওয়ার আগে নামাজ আদায়ের বিধান

    নামাজের শুদ্ধতার অন্যতম শর্ত হলো নির্ধারিত সময় বা ওয়াক্তের মধ্যে তা আদায় করা। তবে যদি কেউ দীর্ঘদিন পর জানতে পারেন যে তিনি ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগেই নামাজ আদায় করে আসছিলেন, তাহলে পূর্বের নামাজগুলোর বিধান কী হবে—এ বিষয়ে এক ধর্মীয় জিজ্ঞাসার জবাবে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন হযরত আয়াতুল্লাহ শহীদ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)।

  • নামাজ: আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল

    নামাজ: আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল

    ইসলামের মৌলিক ইবাদতসমূহের মধ্যে নামাজের গুরুত্ব সর্বাধিক। এটি শুধু বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সম্পর্ক সুদৃঢ় করে না, বরং নবী-রাসূলদের ধারাবাহিক শিক্ষারও কেন্দ্রবিন্দু। ইমাম জাফর সাদিক (আ.) এক হাদিসে নামাজকে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

  • হক দখল (গাসব) সম্পর্কিত শরয়ি বিধান

    শরিয়তের হুকুম-আহকাম:

    হক দখল (গাসব) সম্পর্কিত শরয়ি বিধান

    শহীদ আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.) “হক দখল (গাসবের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা—ضمان غصب)” বিষয়ে একটি ইস্তিফতা (শরীয়তভিত্তিক প্রশ্নোত্তর) প্রদান করেছেন।

  • আল্লাহর প্রজ্ঞা ও তাকদিরের প্রতি আস্থা

    আল্লাহর প্রজ্ঞা ও তাকদিরের প্রতি আস্থা

    জীবনের অনেক সময় মানুষ মনে করে তার রিজিক দেরিতে আসছে, তার দোয়া কবুল হচ্ছে না, কিংবা পরিস্থিতি তার অনুকূলে যাচ্ছে না। এমন মুহূর্তে একজন মুমিনের কর্তব্য হলো আল্লাহর প্রজ্ঞা ও ফয়সালার ওপর আস্থা রাখা এবং তাঁর সম্পর্কে সুধারণা পোষণ করা।

  • আমার ছেলে আগে নামাজ পড়ত, এখন ছেড়ে দিয়েছে—কী করব?

    পারিবারিক সচেতনতা

    আমার ছেলে আগে নামাজ পড়ত, এখন ছেড়ে দিয়েছে—কী করব?

    পরিবারে কিশোর-কিশোরীরা বন্ধু-বান্ধব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের প্রভাবে তাদের নৈতিকতা, আচরণ ও ধর্মীয় বিশ্বাসে পরিবর্তনের সম্মুখীন হতে পারে। তাই সন্তানকে সঠিক পথে রাখতে পারিবারিক পর্যায়ে গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা, বন্ধু নির্বাচন সম্পর্কে সচেতনতা এবং মিডিয়া-সাক্ষরতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • গাদির আল্লাহপ্রদত্ত হেদায়েত ও নেতৃত্বের চিরন্তন সনদ

    গাদির আল্লাহপ্রদত্ত হেদায়েত ও নেতৃত্বের চিরন্তন সনদ

    বেহশহরের কুদসিয়া হাওজা মাদ্রাসার অধ্যক্ষা হামিদা মাজলুমি বলেছেন, গাদিরের গুরুত্ব এ কারণে যে, এটি ইসলামী সমাজের নেতৃত্বের প্রশ্নকে কেবল একটি রাজনৈতিক বিষয়ের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং একে একটি মৌলিক আকীদাগত (বিশ্বাসগত) নীতিতে উন্নীত করেছে। আল্লাহ তাআলা গাদিরের মাধ্যমে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতাকে দ্বীনের পূর্ণতা ও তাঁর নেয়ামতের পরিপূর্ণতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছেন। তাই গাদিরের প্রতি গুরুত্বারোপের অর্থ হলো—সমাজকে বিচ্যুতি ও বিভক্তি থেকে রক্ষা করার জন্য আল্লাহপ্রদত্ত নেতৃত্বের অপরিহার্যতাকে স্বীকার করা। এ কারণেই গাদিরকে ‘হেদায়েতের ধারাবাহিকতার ঈদ’ বলা যায়।

  • আহলুস সুন্নাহর উৎসসমূহে মাহদাভিয়াত

    ‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৪

    আহলুস সুন্নাহর উৎসসমূহে মাহদাভিয়াত

    মাহদাভিয়াতের বিশ্বাস এবং ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের প্রত্যাশা ইসলামী আকীদার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক অধ্যায়। কিছু মানুষের ধারণার বিপরীতে, এ বিশ্বাস কেবল শিয়া মাযহাবের একান্ত নিজস্ব বিষয় নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী ও সুসংবাদের ভিত্তিতে ইসলামী উম্মাহর বিভিন্ন মাযহাব ও চিন্তাধারার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বাস।

  • আহলুল বাইত (আ.)-এর অনুসরণই হিদায়াতের পথ

    আহলুল বাইত (আ.)-এর অনুসরণই হিদায়াতের পথ

    মানবজীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো সঠিক পথের সন্ধান। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র আহলুল বাইত (আ.) উম্মতের জন্য হিদায়াত, জ্ঞান ও সত্যের নির্ভরযোগ্য পথপ্রদর্শক। তাঁদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া মানুষকে বিভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতার দিকে ঠেলে দেয়। এ প্রসঙ্গে ইমাম মূসা আল-কাযিম (আ.) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

  • জিহ্বা সংযত রাখলেই সম্মান বজায় থাকে

    জিহ্বা সংযত রাখলেই সম্মান বজায় থাকে

    ইসলামী নৈতিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো জবান নিয়ন্ত্রণ। আত্মশুদ্ধির জন্য জিহ্বাকে অপ্রয়োজনীয়, অসত্য ও কষ্টদায়ক কথা থেকে বিরত রাখা অপরিহার্য। ইমাম কাযিম (আ.)-এর বাণী এ প্রসঙ্গে অমূল্য দিকনির্দেশনা দেয়।