Nouvelles
plus visité
تیتر سه سرویس
-
অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও কি জান্নাতে যাবে?
চিরস্থায়ী মুক্তি ও পরম সুখের প্রকৃত পথ ইসলাম। তবে যারা ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাদের বিচার হবে সেই ধর্মের ভিত্তিতে যা তাদের কাছে পৌঁছেছে, অথবা তাদের প্রাকৃতিক বুদ্ধি-বিবেক অনুযায়ী। কেউ যদি নিজের বোঝাপড়া ও বিবেক অনুসারে সৎপথে চলে, তবে জান্নাত লাভ করবে। কিন্তু সত্য জেনেও অস্বীকার করলে তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী।
-
আয়াতুল্লাহ বেহজাত (রহ.):
কোরআন ও আহলে বাইতের (আ.) পথ ত্যাগই ইসলামী জাতির হীনতার মূল কারণ
আধ্যাত্মিক ও ইসলামী মহার্ঘ্য মরহুম আয়াতুল্লাহ বেহজাত (রহ.) বলেছেন, মুসলিম উম্মাহর হীনতা ও পদস্খলনের মূল কারণ হলো কোরআন ও আহলে বাইতের (আ.) পথ থেকে বিচ্যুতি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মুসলিম দেশগুলোর উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ডের আধিপত্যের অন্যতম কারণও এই বিচ্যুতি।
-
সামাজিক সমস্যা ও সাংস্কৃতিক সংকট কমাতে মসজিদের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মুহাম্মদ মিসম আলী পানাহ বলেছেন, মসজিদের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করলে সামাজিক সমস্যা ও সাংস্কৃতিক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। তাঁর মতে, মসজিদের সংখ্যাগত বিস্তার এবং গুণগত উন্নয়নে যত বেশি বিনিয়োগ করা হবে, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক খাতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ততটাই কমে আসবে।
-
পরিবেশ সুরক্ষায় নবী করীম (সা.)-এর শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ
ইমাম সাদিক (আ.) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনধারা ও পরিবেশ সুরক্ষাবিষয়ক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে তিনি পানির অপচয় রোধ, বৃক্ষরোপণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের প্রতি নবীজীর (সা.) জোরালো নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।
-
ধর্মীয় মনোবিজ্ঞানী
ইসলাম সত্যিকারের সুখের দিশা দেয়, দুঃখের নয়
সমাজে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো—ধর্মীয় জীবন মানেই দুঃখ-কষ্ট ও কঠোরতা। অথচ ইসলাম আনন্দকে ঈমানদারের অন্যতম গুণ হিসেবে দেখে এবং মানুষের জন্য সত্যিকারের ও স্থায়ী সুখের পথ দেখায়। এমন মন্তব্য করেছেন হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ জারিফি, যিনি একজন ধর্মীয় মনোবিজ্ঞানী।
-
মন্দ ভাষা ও অশ্লীলতার ভয়াবহ শাস্তি
মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এক হাদীসে সতর্ক করে বলেছেন, যারা অশ্লীলতা ও বদভাষায় লিপ্ত হয়ে আনন্দ খোঁজে, তাদের জন্য জাহান্নামে ভয়াবহ শাস্তি নির্ধারিত আছে।
-
শেষযুগ ও মানবতার মুক্তিদাতা সম্পর্কে ইমাম রেজা (আ.)-এর সুসংবাদ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে অন্যায় ও অবিচারের বিস্তার যতই প্রবল হোক, আল্লাহ তাআলা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে একদিন ন্যায় ও সত্যের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাবের মাধ্যমে এই প্রতিশ্রুতির পূর্ণতা ঘটবে।
-
যে গুনাহ দোয়া কবুলের পথে বাঁধা দেয়
দোয়া মানুষের রূহানী শক্তি ও আল্লাহর সাথে সরাসরি সংযোগের মাধ্যম। তবে কিছু গুনাহ রয়েছে, যা দোয়ার কবুল হওয়ার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে। ইমাম সজ্জাদ (আ.) এ প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
-
ইসলামের নিবেদিত প্রাণ, যিনি ১৫ বছর গোপন জীবনযাপন করে অবশেষে শাহাদাত বরণ করেন
আল-যাহরা (সা.) বিশেষায়িত ইসলামি স্কুল, বন্দর আব্বাসের গবেষণা বিভাগের সহকারী মিসেস মিনা সামাদি বলেছেন, শহীদ সাইয়্যেদ আলী আন্দারজগু ছিলেন এক সংগ্রামী আলেম ও ফেদায়ে ইসলামের সদস্য, যিনি শহীদ নবাব সাফাভীর চিন্তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে টানা ১৫ বছর সাভাকের নজর এড়িয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত ১৩৫৭ সালের ২ শা'হরিভার (২৩ আগস্ট ১৯৭৮) ইসলামী বিপ্লবের প্রাক্কালে শাহাদাত লাভ করেন।
-
মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়, ইসলামী সমাজের কেন্দ্রবিন্দু
সাভেহ শহরের রাইহানাতুর রাসুল উচ্চ শিক্ষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মিসেস করিমি বলেছেন, মসজিদ ইসলামী সমাজের মূল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান; যেখানে নামাজসহ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পাশাপাশি সমাজ গঠনের বহু দিক পরিচালিত হয়েছে।
-
ইমাম রেজা (আ.)-এর জীবনে জ্ঞান ও নৈতিকতার অটুট সংযোগ
ইতিহাসের প্রজ্ঞার সোপান খুললে যে ব্যক্তিত্ব মানব সভ্যতার বুকে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো দীপ্তি ছড়ান, তিনি হলেন ইমাম আলী ইবনে মূসা রেজা (আ.)। তাঁর জীবন এক অনন্য সমন্বয়—জ্ঞান ও নৈতিকতার, জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার, বিনয় ও মানবিক মর্যাদার। ঠিক এই কারণেই ইমাম রেজা (আ.) কেবল একটি ধর্মীয় প্রতীক নন, বরং মানব সমাজের জন্য এক অবিনশ্বর আদর্শ।
-
আলস্য ও কাজ ফেলে রাখার অভ্যাস থেকে মুক্তির কয়েকটি কার্যকরী ধাপ
মানুষের জীবনে আলস্য ও কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা সাফল্যের পথে একটি বড় অন্তরায়। এটি শুধু সময় নষ্ট করে না, বরং ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও আধ্যাত্মিক অগ্রগতির পথকেও বাধাগ্রস্ত করে।
-
আহলে বাইত থেকে সাহাবাদের দিকে সরে যাওয়ার ইতিহাস ও আশুরার গঠনে তার প্রভাব: একটি পুনর্মূল্যায়ন
ইতিহাস অনুসারে, আশুরার গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল আহলে বাইতের (আ.) স্থানকে শক্তিশালী করা, কিন্তু আকস্মিকভাবে সাহাবাদের প্রতিষ্ঠা হয়ে ওঠে কেন্দ্রবিন্দু।
-
‘আল-হুজ্জাত’ পত্রিকার সফর সংখ্যা প্রকাশিত
গত ২৮ শে সফর (শনিবার) প্রকাশিত এ সংখ্যায় স্থান পেয়েছে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকাল, ইমাম হাসান মুজতবা (আ.)-এর শাহাদাত, আরবাঈনের ইতিহাস এবং কারবালার পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে একাধিক প্রবন্ধ ও সাহিত্যিক রচনা।
-
ইমাম রেজা (আ.)-এর জিয়ারতের মহিমা: দোয়া কবুল ও পাপমুক্তি
ইমাম রেজা (আ.) তাঁর হাদিসে ঘোষণা করেছেন, যে ব্যক্তি তাঁর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে, তার দোয়া কবুল হবে এবং সকল পাপ ক্ষমা করা হবে। এই হাদিস ভক্তদের জন্য এক অনন্য আত্মিক পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচিত।
-
লাইলাতুল মাবিত: রাসুলুল্লাহ (সা.) ও ইসলামের জন্য ইমাম আলী (আ.)-এর আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত
ইসলামের ইতিহাসে লাইলাতুল মাবিত একটি বিশেষ রাত, যা হিজরতের পূর্বরাত্রি অর্থাৎ রবি‘উল আউয়ালের প্রথম রাতে সংঘটিত হয়। এ রাতে ইমাম আলী (আ.) মহান ত্যাগের পরিচয় দিয়ে নবীজী (সা.)-এর শয্যায় শুয়ে পড়েন, যাতে মুশরিকদের হত্যার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং নবী (সা.) নিরাপদে মদিনায় হিজরত করতে পারেন। এই ঘটনা নবীর প্রতি আনুগত্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আত্মত্যাগের সর্বোত্তম উদাহরণ হিসেবে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।