সর্বশেষ খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

تیتر سه سرویس

  • ইসলামি ঐক্য নবীদের উত্তরাধিকার, তা রক্ষায় জনগণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

    ইসলামি ঐক্য নবীদের উত্তরাধিকার, তা রক্ষায় জনগণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

    ইরানের দেলিজান ফাতেমা মাসুমা (সা.) ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক রহিমা কনবরি বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর পবিত্র জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে মিলিত ইসলামি ঐক্য সপ্তাহ ‘ওহির বার্তা’ ও ‘ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বের’ অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক পুনরায় উপলব্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

  • নারী-জাগরণ: ইসলামী ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ়করণে মুসলিম নারীর আদর্শ

    নারী-জাগরণ: ইসলামী ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ়করণে মুসলিম নারীর আদর্শ

    কুরআনে তালুতের বাহিনীর পরীক্ষার ঘটনা ঈমান, আত্মসংযম এবং সত্যের পথে ভয়কে জয় করার ক্ষেত্রে মানুষের দৃঢ়তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই পরীক্ষায় অল্পসংখ্যক মানুষই নিজেদের প্রবৃত্তির আকাঙ্ক্ষাকে সংযত রেখে এবং আল্লাহর প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রেখে জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রামের পথে অটল থাকার যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

  • হিজাবের ধারাবাহিকতা রক্ষায় প্রয়োজন বিশ্বাস ও সচেতন নির্বাচন

    হিজাবের ধারাবাহিকতা রক্ষায় প্রয়োজন বিশ্বাস ও সচেতন নির্বাচন

    ইসলামি সংস্কৃতিতে হিজাব শুধু বাহ্যিক পোশাক নয়; বরং এটি এমন একটি নৈতিক মূল্যবোধের অংশ, যার সঙ্গে লজ্জাশীলতা, পবিত্রতা, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সম্পর্কের সুস্থতা ও পরিবারের দৃঢ়তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই হিজাবের প্রতি অবহেলাকে কেবল বাহ্যিক চেহারার পরিবর্তন হিসেবে দেখা যায় না।

  • নারীরাই সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের রক্ষক

    নারীরাই সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের রক্ষক

    কাশানের কাওসার মহিলা মাদ্রাসার সাংস্কৃতিক বিভাগের উপপরিচালক জনাবা বাকেরি বলেন, একজন মুসলিম নারী তাঁর ঈমানি পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে এবং পবিত্রতা ও সামাজিক উপস্থিতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে ইসলামী সভ্যতার ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং বিশ্বায়নের যুগে সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

  • শিশুকে সংবেদনশীল করেই গড়ে তুলুন

    শিশুকে সংবেদনশীল করেই গড়ে তুলুন

    শিশুর আবেগিক ও নৈতিক সংবেদনশীলতা তার সুস্থ ব্যক্তিত্ব বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। ইরানের বিশিষ্ট আলেম আয়াতুল্লাহ হায়েরি শিরাজি (রহ.) মনে করতেন, কোনো শিশু যদি অবহেলা, অপমান বা রূঢ় আচরণে কষ্ট পায়, তাহলে সেটি দুর্বলতার নয়; বরং তার সুস্থ অনুভূতিশক্তির পরিচয়। প্রকৃত উদ্বেগের বিষয় হলো, বারবার অপমান ও কঠোর আচরণের ফলে যখন সে এসবের প্রতি অসাড় হয়ে পড়ে।

  • ধর্মীয় জ্ঞানকে সামাজিক কর্মে রূপান্তর: আজকের ধর্মীয় নারী শিক্ষার্থীদের করণীয়

    ধর্মীয় জ্ঞানকে সামাজিক কর্মে রূপান্তর: আজকের ধর্মীয় নারী শিক্ষার্থীদের করণীয়

    বর্তমান সময়ে নারী মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের (তালিবা) ভূমিকা কেবল ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান বা প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমাজের বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করা, মানুষের প্রয়োজন অনুধাবন করা এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করাও তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ইরানের নারী মাদ্রাসার শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী মাসুমেহ আহমাদিয়ান আলী-আবাদি এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

  • গণমাধ্যমের প্রভাব মোকাবিলায় সন্তানদের চিন্তাগত বিকাশে মায়েদের ভূমিকা নির্ধারক

    গণমাধ্যমের প্রভাব মোকাবিলায় সন্তানদের চিন্তাগত বিকাশে মায়েদের ভূমিকা নির্ধারক

    খোরাসান হাওজায়ে ইলমিয়ার পরামর্শক কেন্দ্রের কিশোরবিষয়ক পরামর্শক মাসুমেহ গোলামআলিপুর বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভার্চুয়াল জগতের বিস্তারের ফলে শিশু-কিশোরদের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। বর্তমান সময়ে পরিবার, বিশেষ করে মায়েরা, তথ্য-উপাত্ত যাচাই, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবিলা এবং সন্তানদের সঠিক চিন্তাগত দিকনির্দেশনা প্রদানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

  • শালীনতা ও হিজাব কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় নয়; এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সমগ্র সমাজের দায়িত্ব

    শালীনতা ও হিজাব কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় নয়; এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সমগ্র সমাজের দায়িত্ব

    হাওজায়ে ইলমিয়ার অধ্যাপিকা নাদা হেকমতনিয়া বলেছেন, হিজাব ও শালীনতা (আফাফ) কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার একক দায়িত্ব নয়; বরং এটি মানবিক মর্যাদা ও নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সামাজিক অঙ্গীকার। সমাজের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে এর বিকাশ ও সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে পারে।

  • নারী: সচেতন সামাজিক ভূমিকার মধ্য দিয়ে দ্বীনি সমাজ নির্মাণের অগ্রযাত্রী

    নারী: সচেতন সামাজিক ভূমিকার মধ্য দিয়ে দ্বীনি সমাজ নির্মাণের অগ্রযাত্রী

    ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে নারী সমাজের প্রান্তিক কোনো সত্তা নন; বরং তিনি সমাজ নির্মাণের একজন সক্রিয় ও সচেতন অংশীদার। তবে প্রশ্ন হলো—কীভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে নারীর সামাজিক ভূমিকা এমনভাবে পুনর্নির্ধারণ করা যায়, যাতে তিনি সমাজ গঠনে আরও কার্যকর অবদান রাখতে পারেন?

  • নারীরা হোসাইনি মহাকাব্যের প্রথম বর্ণনাকারী এবং আরবাঈনে ‘জিহাদে তাবইন’-এর পতাকাবাহী

    নারীরা হোসাইনি মহাকাব্যের প্রথম বর্ণনাকারী এবং আরবাঈনে ‘জিহাদে তাবইন’-এর পতাকাবাহী

    রাযিয়ে শোকরানি নারীদের আরবাঈনের পদযাত্রায় অনন্য ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বলেছেন, হযরত জয়নাব (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে এবং আরবাঈনের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নারীরা আশুরার প্রকৃত বর্ণনা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিতে পারেন এবং শত্রুপক্ষের বিকৃত বর্ণনার বিরুদ্ধে ‘জিহাদে তাবইন’-এর প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারেন।

  • ‘আরবাইনের পথ’ আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ বিস্তারের উচ্চ সম্ভাবনা রাখে

    ‘আরবাইনের পথ’ আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ বিস্তারের উচ্চ সম্ভাবনা রাখে

    ইসলামী সংস্কৃতি ও যোগাযোগ সংস্থার ধর্মীয় সংলাপ কেন্দ্রের ক্যাথলিক খ্রিস্টধর্ম ও ইহুদি ধর্ম বিভাগের প্রধান বলেছেন: ইমাম হুসাইনের (আ.) শাহাদাতের আরবাইন উপলক্ষে বিশেষ তীর্থপথগুলোতে আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ বিস্তারের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে।

  • তিন বছরের কম বয়সী শিশুর বিকাশে কোন খেলাগুলো সবচেয়ে উপকারী?

    তিন বছরের কম বয়সী শিশুর বিকাশে কোন খেলাগুলো সবচেয়ে উপকারী?

    শিশুর প্রথম তিন বছর তার শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে বয়সোপযোগী খেলার মাধ্যমে তার ইন্দ্রিয়, চলনদক্ষতা, কল্পনাশক্তি ও শেখার ক্ষমতা দ্রুত বিকশিত হয়। শিশু-মনোবিজ্ঞানের আলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ তুলে ধরেছেন হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন মজিদ হেম্মাতি।

  • সামাজিক জাগরণে ও কুফাবাসীর বিদ্রোহের ভিত্তি তৈরিতে হযরত উম্মে কুলসুম (আ.)-এর ভূমিকা

    জয়নাবি মক্তব:

    সামাজিক জাগরণে ও কুফাবাসীর বিদ্রোহের ভিত্তি তৈরিতে হযরত উম্মে কুলসুম (আ.)-এর ভূমিকা

    হযরত উম্মে কুলসুম (সা.আ.) ছিলেন একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব এবং আশুরার আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নারী। তিনি কারবালায় উপস্থিত থাকা, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর সঙ্গে পথচলা, কুফায় সত্য উদ্ঘাটনকারী ভাষণ প্রদান, দান-সদকা গ্রহণে অস্বীকৃতি, ইবনে জিয়াদের সামনে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়ানো এবং শামের পথে আহলে বাইতের নারীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবারের মর্যাদা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

  • সামাজিক জাগরণে ও কুফাবাসীর বিদ্রোহের ভিত্তি তৈরিতে হযরত উম্মে কুলসুম (আ.)-এর ভূমিকা

    জয়নাবি মক্তব:

    সামাজিক জাগরণে ও কুফাবাসীর বিদ্রোহের ভিত্তি তৈরিতে হযরত উম্মে কুলসুম (আ.)-এর ভূমিকা

    হযরত উম্মে কুলসুম (সা.আ.) ছিলেন একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব এবং আশুরার আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নারী। তিনি কারবালায় উপস্থিত থাকা, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর সঙ্গে পথচলা, কুফায় সত্য উদ্ঘাটনকারী ভাষণ প্রদান, দান-সদকা গ্রহণে অস্বীকৃতি, ইবনে জিয়াদের সামনে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়ানো এবং শামের পথে আহলে বাইতের নারীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবারের মর্যাদা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

  • জয়নবী আদর্শ: কীভাবে নারী ও শিশুরা আশুরার বার্তাকে চিরঞ্জীব করে তুলেছিলেন?

    জয়নবী আদর্শ: কীভাবে নারী ও শিশুরা আশুরার বার্তাকে চিরঞ্জীব করে তুলেছিলেন?

    কারবালার কাফেলায় নারী ও শিশুদের উপস্থিতি ছিল না কোনো সাধারণ পারিবারিক সিদ্ধান্ত। বরং এর পেছনে ছিল সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, গভীর প্রজ্ঞা এবং ঐশী উদ্দেশ্য। আহলে বাইত (আ.)-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মানুষের সামনে সত্যের চূড়ান্ত প্রমাণ প্রতিষ্ঠা করা এবং আশুরার মহান বার্তা যুগে যুগে মানবসমাজের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এ সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য।

  • সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকা ও বিনয় ছিল তাঁর সবচেয়ে উজ্জ্বল বৈশিষ্ট্য

    শহীদা বুশরা খামেনেয়ীর বন্ধু:

    সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকা ও বিনয় ছিল তাঁর সবচেয়ে উজ্জ্বল বৈশিষ্ট্য

    শহীদা বুশরা খামেনেয়ীর এক বন্ধু বলেছেন, বিনয় ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে একাত্মতা ছিল এই শহীদ নারীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তিনি বলেন, ‘তিনি নিজেকে কখনোই সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা মনে করতেন না। এছাড়া তিনি যেমন শহীদ বিপ্লবী নেতার একজন আদর্শ কন্যা ছিলেন, তেমনি তাঁর আদর্শ ও শিক্ষার একজন উৎকৃষ্ট অনুসারীও ছিলেন।‘