تیتر سه زیرسرویس

  • মা ফাতেমা (সা.আ.)

    মা ফাতেমা (সা.আ.)

    যে দরজায় ফেরেশতারা সালাম জানাতেন, শোকাবহ ইতিহাসের বর্ণনায় সেই দরজাই আজ রক্তাক্ত স্মৃতির প্রতীক। নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় কন্যা হযরত ফাতেমা যাহরা (সা.আ.)-যাঁর কোলে বেড়ে উঠেছিলেন ইমাম হাসান (আ.) ও ইমাম হোসাইন (আ.), যাঁর ঘর ছিল আহলে বাইতের পবিত্র আবাস-তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায়ে নেমে আসে গভীর বেদনা ও নিপীড়নের ছায়া। শোকগাথায় উঠে আসে তাঁর সন্তান হযরত মুহসিন (আ.)-এর করুণ পরিণতি, হযরত আলী (আ.)-এর ওপর সংঘটিত ঘটনাবলি এবং মদিনার নিস্তব্ধ রাতে যাহরার অশ্রুসিক্ত বিদায়। অল্পদিনের অসুস্থতার পর রাতের আঁধারে নীরবে দাফন হন নবীর প্রিয় কন্যা। তাঁর শাহাদাত আজও আহলে বাইতের অনুসারীদের হৃদয়ে গভীর শোক, ভালোবাসা ও স্মৃতির অনুরণন সৃষ্টি করে।

  • শিশুদের রক্তে মানবাধিকার

    শিশুদের রক্তে মানবাধিকার

    শিশুর রক্তে লেখা কোনো মানবাধিকার হতে পারে না। যারা মানবাধিকার ও সভ্যতার কথা বলে, তাদের বিবেকের সামনে আজ সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন-ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া শিশুর জীবন কি সত্যিই সবার কাছে সমান মূল্যবান? রাষ্ট্র, ধর্ম, জাতি কিংবা ক্ষমতার পরিচয়ের ঊর্ধ্বে একটি শিশুর জীবনকে পবিত্র মনে করার আহ্বান জানিয়ে এক সাধারণ ভারতীয়ের কণ্ঠে উঠে এসেছে অন্যায়, নিরপরাধ হত্যাকাণ্ড ও নীরবতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শপথ-ঘৃণা বা প্রতিশোধের নয়, মানবতা, সত্য ও ন্যায়ের বিবেকের বিপ্লবের।

  • প্রদীপের বিদ্রোহ

    প্রদীপের বিদ্রোহ

    অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়াই সবসময় বজ্রের গর্জনে শুরু হয় না; কখনো কখনো একটি ক্ষুদ্র প্রদীপের নীরব আলোই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহ। সাম্রাজ্য, ক্ষমতা ও প্রাসাদের জৌলুশ সময়ের স্রোতে হারিয়ে যায়, কিন্তু সত্যের একটি উচ্চারণ, মানবতার একটি স্পর্শ এবং একটি সৎ হৃদয়ের আলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম পথ দেখায়। ‘প্রদীপের বিদ্রোহ’ তাই কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা সিংহাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ নয়-এ বিদ্রোহ মানুষের ভেতরের সেই অন্ধকারের বিরুদ্ধে, যা মানুষকে মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করে। একটি প্রদীপ যেমন নিজে নিঃশেষ না হয়ে আরেকটি প্রদীপ জ্বালায়, তেমনি সত্য, মানবতা ও ভালোবাসার আলো ছড়িয়ে পড়ুক হৃদয় থেকে হৃদয়ে-যতক্ষণ না অসংখ্য ক্ষুদ্র আলো মিলিত হয়ে অন্ধকারকে পরাজিত করে।

  • পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ

    পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ

    মানবতার ইতিহাসে এমন কিছু মহামানব রয়েছেন যাঁদের জীবন হয়ে উঠেছে চিরন্তন আদর্শ। তেমনি এক অনন্য ব্যক্তিত্ব হলেন ইসলামের শেষ নবী মুহাম্মদ (স.)। তাঁর জীবনদর্শন, ক্ষমা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবপ্রেম তাকে অনন্য আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। আজকের লেখায় আলোচনা করা হবে—কীভাবে তিনি হয়ে উঠেছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ এবং তাঁর আদর্শ কীভাবে আজও প্রাসঙ্গিক।

  • যন্তরমন্তরের রক্তাক্ত দুপুর 

    যন্তরমন্তরের রক্তাক্ত দুপুর 

    ‘যন্তরমন্তরের রক্তাক্ত দুপুর’-শিরোনামটি যেন আজও কানে বাজে। সেখ মঈনুল হকের কবিতা যখন লাঠির আঘাত আর রক্তমাখা ধুলোর গন্ধ বয়ে আনে, তখন বুঝতে পারি, এটি কোনো কাব্যিক কল্পনা নয়; এটি এক টুকরো বাস্তবের প্রতিচ্ছবি, যেখানে প্রশ্ন করার অধিকারটাই যেন অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সেই রক্তাক্ত দুপুরেও যে কয়েকজন বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিল, তাদের মেরুদণ্ডের গল্পই আজ ইতিহাসের পাতায় অক্ষর হয়ে আছে।

  • কাবার দরজা

    কাবার দরজা

    কাবার দরজা শুধু পবিত্র ঘরের প্রবেশপথ নয়; এটি মানব আত্মার প্রত্যাবর্তনের প্রতীক, তওবার আহ্বান এবং রবের করুণার এক চিরন্তন দ্বার। সেখ মঈনুল হকের এই হৃদয়স্পর্শী কবিতায় কাবার দরজাকে কেন্দ্র করে ফুটে উঠেছে মানুষের আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা, ক্ষমা প্রার্থনার ব্যাকুলতা এবং স্রষ্টার সান্নিধ্যে ফিরে যাওয়ার গভীর অনুভূতি।

  • রাহবার খামেনেয়ি

    রাহবার খামেনেয়ি

    কবিতাটি কেবল একজন নেতাকে হারানোর বেদনার গাথা নয়; বরং তাঁর দেখানো পথকে সামনে রেখে বুক ফুলিয়ে চলার অঙ্গীকার।

  • ওহে ধার্মিক

    ওহে ধার্মিক

     কবিতাটি লেখক মুক্তার হোসেন শাহ'র কলম থেকে উঠে এসেছে। এটি সেই ‘ধার্মিক’কে প্রশ্ন করে, যার ধর্মে স্থান নেই প্রেম আর মানবতার; বরং রয়েছে কেবল আচার-আড়ম্বর, গোঁড়ামি আর ক্ষমতার পূজা।

  • ইসলামের মধ্যে ফিরে আসি

    ইসলামের মধ্যে ফিরে আসি

    দুনিয়ার মোহ ও অহংকারের ভিড়ে যখন মানুষ নিজের রবকে ভুলে দূরে সরে যায়, তখন এক মর্মস্পর্শী আহ্বান জানিয়েছেন কবি সেখ মঈনুল হক — ‘ইসলামের মধ্যে ফিরে আসি’। ক্লান্ত হৃদয় নিয়ে সিজদার মাটিতে নত হওয়া, আজানের ধ্বনিতে আত্মাকে জাগিয়ে তোলা, কোরআনের শিফা ও নূরের দিশা ফিরে পাওয়া—এমন আত্মশুদ্ধির ডাক শোনা যায় এই কবিতায়। এটি শুধু সাহিত্য নয়, বরং এক তওবার নামজা, ভুলের পথ ছেড়ে হেদায়েতের আলোয় নিজেকে সমর্পণের অনন্য বার্তা।

  • তুমি বিল্পবী যয়নাব 

    তুমি বিল্পবী যয়নাব 

    কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির পর, যখন সত্যের পতাকা মাটিতে লুটিয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল, তখনই হযরত জয়নাব (আ.) তাঁর বলিষ্ঠ কণ্ঠ, অবিচল মনোবল এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা দ্বারা ইমাম হুসাইন (আ.)-এর বিপ্লবের বার্তাকে প্রজ্জ্বলিত রাখেন। ইয়াজিদের দরবারে তাঁর ঐতিহাসিক বক্তৃতা শুধু একটি প্রতিবাদই নয়, ছিল সত্য ও ন্যায়ের অমর ঘোষণা।