হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, মাহদিয়া খন্দাব মাদ্রাসার পরিচালক বলেছেন: হযরত খাদিজা (সা.), একজন মহীয়সী নারী এবং প্রথম মুসলিম, ইসলামে একটি উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। তিনি তাওহীদের পূর্ণতায় পৌঁছেছিলেন এবং আল্লাহর নির্বাচিত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন।
সোসন হাওজা নিউজ এজেন্সির সাথে একটি সাক্ষাৎকারে হযরত খাদিজা (সা.)-এর ওফাত দিবস উপলক্ষে বলেন: হযরত খাদিজা (সা.), ইসলামের নবী (সা.)-এর স্ত্রী এবং প্রথম মুসলিম নারী, ইসলামের ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। তিনি বিশ্বের চারজন পূর্ণ নারীর মধ্যে একজন যারা তাওহীদের পূর্ণতায় পৌঁছেছেন। এই চারজন নারী হলেন ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া, মারিয়াম বিনতে ইমরান, খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ এবং ফাতিমা জাহরা (সা.)।
তিনি বলেন: হযরত খাদিজা (সা.) নবুওয়াতের আগেই তাওহীদের ভিত্তিতে আল্লাহর ইবাদত করতেন এবং সাধারণ নবুওয়াত ও ইব্রাহিমী নবীদের প্রতি বিশ্বাস রাখতেন। তিনি একজন জ্ঞানী, ধার্মিক, গবেষক এবং একত্ববাদী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে তার সেরা মন্ত্রী ও উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেন: ইসলামী রেওয়ায়েতে হযরত খাদিজা (সা.) আল্লাহর নির্বাচিত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন। আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমলিও তার উচ্চ মর্যাদার উপর জোর দিয়েছেন এবং বলেছেন: আমরা গর্ব করি যে আমাদের এমন একজন মা আছেন এবং বারো ইমাম তার বংশধর। তাই, হযরত খাদিজা (সা.)-এর পথ ও ব্যক্তিত্বের অনুসরণ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সোসন স্পষ্ট করে বলেন: এই মহীয়সী নারী শুধুমাত্র তার সময়েই নয়, বরং ইসলামের ইতিহাস জুড়ে মুসলিম নারীদের জন্য একটি আদর্শ। কুরআন ও হাদীসে তার নির্বাচিত হওয়ার মর্যাদা আল্লাহর নিকট তার উচ্চ স্থানকে নির্দেশ করে।
আপনার কমেন্ট