হাওজা নিউজ এজেন্সি: দারুস সালামের কিগোগো পোস্ট এলাকায় অবস্থিত ইমাম জাফর সাদিক (আ.) হাওজার আয়োজনে এ আয়োজনটি 'কুরআন আমাদের একত্রিত করে'—স্লোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়। মহান আল্লাহর কিতাবকে জীবনের পথনির্দেশ হিসেবে গ্রহণের মধ্য দিয়ে ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার বার্তা বহন করছিল এই স্লোগান।
লক্ষ্য ছিল রমজানের জন্য হৃদয় প্রস্তুত করা
মজলিসের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অন্তরকে পবিত্র রমজানের জন্য প্রস্তুত করে তোলা—যেন তারা ইবাদত-বন্দেগি, তাওবা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের নব উদ্যম নিয়ে এ মাসে প্রবেশ করতে পারে। তানজানিয়ার খ্যাতনামা কারিদের হৃদয়ছোঁয়া তিলাওয়াতের মাধ্যমে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মানুষ আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে গভীর চিন্তাভাবনা ও আত্মনিমগ্নতার সুযোগ পান।

ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতি
এতে তানজানিয়ার বিভিন্ন প্রান্তের গণ্যমান্য ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যক্তিত্ববৃন্দ অংশ নেন। তানজানিয়া শিয়া কাউন্সিলের (টিআইসি) সিনিয়র নেতা শেখ হামিদি জালালাহ্ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং মানবচরিত্র গঠন ও সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় করতে কুরআনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানজানিয়ার প্রধান ভূখণ্ডের ডেপুটি চিফ কাজী ও বাকওয়াটা (BAKWATA) উলামা কাউন্সিলের সদস্য শেখ আলী এনগেরেকো। তিনি মুসলমানদের জীবনে, বিশেষ করে রমজান মাসে কুরআনের মর্যাদা ও তাৎপর্য নিয়ে আলোকপাত করেন।

কুরআন: ঐক্য ও আলোর উৎস
এ মজলিস অংশগ্রহণকারীদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। এটি প্রমাণ করে যে, পবিত্র কুরআন কেবল তিলাওয়াতের গ্রন্থ নয়; বরং এটি জীবনের জন্য এক পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, যা মুমিনদের ঈমান, নৈতিকতা ও সংহতির একই পতাকাতলে সমবেত করে।
নিঃসন্দেহে, এ আয়োজন ছিল রমজানের পথে এক আধ্যাত্মিক যাত্রার সূচনা। ধর্মপ্রাণ মানুষকে পবিত্র এই মাসে প্রবেশের প্রেরণা যুগিয়েছে—খোলা মনে, দৃঢ় প্রত্যয় ও কুরআনের প্রতি সত্যিকার ভালোবাসা নিয়ে।

আপনার কমেন্ট