বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ - ২৩:১৩
ওয়াশিংটনে ছুরিকাঘাতে নিহত ৪, পুলিশের গুলিতে প্রাণ গেছে হামলাকারীরও

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে নিজ মায়ের সাথে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজ মায়ের বাসার সামনে মাদকাসক্ত ও মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ৩২ বয়স্ক এক ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে চারজন নিহত হয়েছেন। পরে পুলিশের গুলিতে ৩২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীও প্রাণ হারান। 

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইত্তেফাকের এ প্রতিবেদন সংক্রান্ত কিছু কথা:
মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) সত্যিই এক অসভ্য, বুনো, জংলী, রক্তপিপাসু, চরম মানসিক ব্যাধি, বিকার ও সমস্যাগ্রস্ত, বস্তুবাদী, ভোগবাদী, অপরাধী, নীতিভ্রষ্ট, বিচ্যুত এবং বিকৃত অভিরুচি ও মানসিকতা সম্পন্ন সন্ত্রাসী সন্ত্রাসবাদী দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্র। এ দেশে এমন সব অপরাধ সংঘটিত হয় যা মাযুরার মতো দেশগুলো ছাড়া অন্যান্য দেশে সংঘটিত হয় না।

ওয়াশিংটনে ছুরিকাঘাতে নিহত ৪, পুলিশের গুলিতে প্রাণ গেছে হামলাকারীরও

এই প্রতিবেদনে পারিবারিক বিরোধের যেরে এই হত্যাকাণ্ডে পরিবার ও ঘরের বাইরের ৪ জন মানুষকে প্রাণ দিতে হলো। মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) মতো উল্লুক গোছের দেশগুলো ব্যতীত অন্যান্য দেশগুলোয় যার সাথে বিরোধ ও গণ্ডগোল আছে তাকে হত্যা করে অপরাধী এবং অন্য কাউকে সে হত্যা করে না। আর পারিবারিক বিরোধের ক্ষেত্রে যদি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় তাহলে তা পারিবারিক গণ্ডীর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং পরিবারের বাইরে কাউকে যেমন:প্রতিবেশী বা বাড়ীর পাশ দিয়ে গমনকারী পথচারীকে প্রাণ দিতে হয় না। কিন্তু মাযুরা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ও লাতিন আমেরিকান দেশগুলোয় দেখা যায় যে পারিবারিক, পেশাগত এবং কর্মক্ষেত্রে বিরোধ ও শত্রুতার জেরে এমন সব ব্যক্তিকে প্রাণ হারাতে হয় যারা ঐ সব বিরোধ ও শত্রুতার সাথে মোটেও সংশ্লিষ্ট নয়।এ যেন "উদুর পিণ্ডি বুধোর ঘাঁড়ে (এক জনের দোষ ও দায়িত্ব অন্যের ঘাঁড়ে চাপানো বা নিজের কৃতকর্ম বা ভুল অন্য কারো ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া।)"---বাংলা ভাষার এ প্রবাদ বাক্য বা "গোনাহ্ কার্দ্ দার্ বালখ অহাঙ্গারী; বে শুশতার্ যাদান্দ্ গার্দানে মেসগারী (বালখ শহরে অপরাধ করেছে এক কামার কিন্তু শুশতার নগরীতে এক তাম্রকারের গর্দান কর্তন করা হল সেই অপরাধে!!)"-- ফার্সী এ প্রবাদ বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থের মতো।
এটা কেমন ধরনের মানসিক বিকৃতি ও সমস্যা যার কোনো নজির নেই। হ্যাঁ, এটাই হচ্ছে পাশ্চাত্য বস্তুবাদী ভোগবাদী অমানবিক সভ্যতা (অসভ্যতা বলাই শ্রেয়), সংস্কৃতি (অপসংস্কৃতি বলাই শ্রেয়) ও লাইফ স্টাইল। আর এই পশ্চিমা বস্তুবাদী ভোগবাদী অসভ্যতা, অপসংস্কৃতি ও লাইফ স্টাইল পৃথিবীর যে দেশ ও জাতির মাঝে প্রসার লাভ করবে সেখানেই অদ্ভুত এই সিনড্রোমের ভূতের আবির্ভাব হতেই থাকবে। পশ্চিমা শ্বেতাঙ্গদের বিশ্বাস করা মোটেও সমীচীন নয়। কারণ তাদের দিয়ে যে কোনো সময় এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। এর কারণ হচ্ছে যে পশ্চিমা শ্বেতাঙ্গরা বিভিন্ন ধরনের অতি অদ্ভুত জটিল ও বিকৃত মানসিক সমস্যাগ্রস্ত। তাই যে কোনো সময় মানসিক বিকার, বিকৃতি ও সমস্যার বশবর্তী হয়ে এরা যে কোনো ধরনের অপরাধ, হামলা ও ক্ষতি সাধন করে ফেলতে পারে। তাই এদের বর্জন ও এদের থেকে দূরে থাকা উচিত। আর পারলে মানসিক বিকার ও সমস্যাগ্রস্ত পশ্চিমাদেরকে একদম কোণঠাসা ও একঘরে করে রাখাটাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ যাতে বিশ্ব ও বিশ্ববাসী এদের অনিষ্ট, ক্ষতি ও অপকার থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকে।

মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha