হাওজা নিউজ এজেন্সি: প্রতিনিধি দফতরের প্রতিনিধি হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন সৈয়দ মাহদী আলীজাদে মুসাভি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই উপলক্ষ ইমামের চিন্তা, বিপ্লবী জীবন ও সভ্যতামূলক দিক পুনর্বিবেচনার সুযোগ। সব বৈজ্ঞানিক ও মিডিয়া সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে আমাদের জিহাদে তাবিয়িন (ব্যাখ্যার সংগ্রাম) জোরদার করতে হবে।”
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোম শহরে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের উপস্থিতিতে শিক্ষা ও বিশ্লেষণধর্মী সভা অনুষ্ঠিত হবে। কোমে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সরাসরি উপস্থিত হয়ে অংশ নেবেন, আর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের তালিবানরা অনলাইনে যুক্ত হতে পারবেন।
এছাড়া ইমাম খামেনেয়ীর স্মৃতিকথা, জীবনী, বাণীর নির্বাচিত অংশ বাংলা ও মিয়ানমারি ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ সংখ্যা, পুস্তিকা ও মিডিয়া প্যাকেজ আকারেও এগুলো প্রকাশিত হবে।
অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ২০ জন বিশিষ্ট সুন্নি আলেমের সঙ্গে সাক্ষাৎকার, সংলাপ ও বিবৃতি সংগ্রহ। এর লক্ষ্য ইমামের আন্তঃমাজহাবি অবস্থান তুলে ধরা ও ইসলামী ঐক্য জোরদার করা।
গণমাধ্যম বিভাগে বিশেষ অনুষ্ঠান রেকর্ড, কন্টেন্ট প্রযোজনা ও লাইভ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফার্সি, বাংলা ও মিয়ানমারি ভাষার শ্রোতাদের কাছে বার্তা পৌঁছাতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইমাম খামেনেয়ী (রহ.)’র শাহাদাতের চল্লিশার প্রধান অনুষ্ঠান বাংলাদেশের হোসাইনি দালান ও কোমের প্রতিনিধি দফতরে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বক্তৃতা, শোকগাথা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে।
আপনার কমেন্ট