হাওজা নিউজ এজেন্সি: বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) দেওয়া এক পোস্টে কালিবফ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আমাদের গভীর ঐতিহাসিক অবিশ্বাসের মূল কারণ হলো তাদের বারবার বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা—দুঃখজনকভাবে সেই ধারা আবারও পুনরাবৃত্ত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল (Truth Social) প্ল্যাটফর্মে স্পষ্টভাবে বলেছেন, ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব আলোচনার জন্য একটি ‘কার্যকর ভিত্তি’ এবং এটিই এই আলোচনার প্রধান কাঠামো।”
কালিবফ জানান, তবে এখন পর্যন্ত ওই প্রস্তাবের তিনটি ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে—
১. লেবাননে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত ১০ দফা প্রস্তাবের প্রথম ধারা মানা হয়নি। এ বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও স্পষ্টভাবে বলেছেন, “লেবাননসহ সব অঞ্চলে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে।”
২. ইরানের আকাশসীমায় একটি অনুপ্রবেশকারী ড্রোন প্রবেশ করে, যা ফার্স প্রদেশের লার শহরে ভূপাতিত করা হয়। এটি ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন না করার শর্তের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
৩. ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে, যা আলোচনার কাঠামোর ষষ্ঠ ধারায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কালিবফ বলেন, “যখন আলোচনার জন্য নির্ধারিত ‘কার্যকর ভিত্তি’ই আলোচনা শুরুর আগেই প্রকাশ্যে ও স্পষ্টভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে, তখন দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা চালিয়ে যাওয়া অযৌক্তিক।”
আপনার কমেন্ট