হাওজা নিউজ এজেন্সি: ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসরণ ও উদ্যোগের ফলে তিনি বুধবার তেহরানে পৌঁছান।
চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের একটি আদালত ৩৯ বছর বয়সী এসফানদিয়ারিকে চার বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে নিহত ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি—যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে—এ হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
লুমিয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের এই স্নাতক—যিনি উক্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপক, অনুবাদক ও দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন—তাকে আদালত “সন্ত্রাসবাদকে প্রকাশ্যে সমর্থন”–এর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। একই সঙ্গে তাকে স্থায়ীভাবে ফ্রান্সে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
গ্রেফতারের পর তিনি আট মাস বিচার-পূর্ব আটক অবস্থায় ছিলেন এবং পরবর্তীতে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পান।
ইরানে পৌঁছে এসফানদিয়ারি বলেন, “আমার মনে হয় এখন সবার কাছেই পরিষ্কার—অন্তত ফ্রান্সে, যেখানে আমি ছিলাম—মতপ্রকাশের কোনো স্বাধীনতা নেই।” তিনি আরও বলেন, “আদালতের রায় ছিল খুবই অন্যায়।”
তিনি অভিযোগ করে জানান, “তারা আমার ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে আমাকে কার্যত জিম্মি করে রেখেছিল, যতক্ষণ না তাদের দুই নাগরিককে ফ্রান্সে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। সেই একই দিনে আমার ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়, এবং আমরা ভ্রমণের প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হই।”
ইরানে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক থাকা দুই ফরাসি নাগরিকের মুক্তি ও ফ্রান্সে প্রত্যাবর্তনের পরই এসফানদিয়ারির দেশে ফেরার পথ খুলে যায়।
তেহরানে পৌঁছে এই শিক্ষাবিদ সাম্প্রতিক হামলায় নিহত ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী এবং অন্যান্য নিহতদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।
আপনার কমেন্ট