হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাংস্কৃতিক সংস্থা, বাংলাদেশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানববিদ্যা অনুষদের যৌথ উদ্যোগে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে ‘মানবাধিকার ও ইমাম খামেনেয়ির শহাদত’ শিরোনামে একটি বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আধ্যাত্মিক ও মানবাধিকারভিত্তিক দর্শন এবং আধুনিক বিশ্বে ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্বের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়।
সম্মেলনের শুরুতেই কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানববিদ্যা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে ফার্সি ভাষার শিক্ষার্থীরা তাদের উপস্থিতিতে সম্মেলন প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সালাম। তিনি তাঁর বক্তৃতায় ইমাম খামেনেয়ির মানবাধিকারবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির বৈশ্বিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন-ইরান দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইসরাফিল আমিরি, বাংলাদেশে ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সিলর সৈয়দ রেজা মিরমোহাম্মদি, মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল কালাম সরকার, বিশিষ্ট গবেষক ঈসা শাহেদী, কাউসার মোস্তফা এবং আল-মোস্তফা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি শিহাবুদ্দিন মাশায়েখি।
বক্তারা ইমাম খামেনেয়িকে শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং নিপীড়িত মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এক অনন্যসাধারণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁরা বলেন, ইমাম খামেনেয়ির জীবনাদর্শ আধুনিক মানবাধিকার চিন্তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সম্মেলন শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ এবং একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও জ্ঞানবর্ধক বলে অভিহিত করেন।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের জন্য এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
আপনার কমেন্ট