হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইমাম আলী (আ.)-এর শিক্ষা প্রচার এবং তরুণ প্রজন্মের জ্ঞানের স্তর উন্নত করার লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এটি হুজ্জাতুল ইসলাম মুহাম্মদ তাইয়েব আলী আনসারি কুম্মি এবং ভারতীয় ধর্মগুরু সৈয়দ আহসান নাকভির তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতা ও মুর্শিদাবাদ শহ কলকাতা ইসলামিক শিক্ষা বিভাগের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ প্রস্তু নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে এবং শীর্ষস্থান অর্জনে সফল হয়।
এরপর, অংশগ্রহণকারীদের বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, ভারতের মুর্শিদাবাদ শহরে অবস্থিত শহীদ আয়াতুল্লাহ আল-উজমা খামেনেয়ী গ্রন্থাগারে এক জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে সকল অংশগ্রহণকারীকে স্মারক পদক, সম্মানসূচক সনদপত্র এবং বিশেষ ব্যাগ উপহার দেওয়া হয়। এছাড়াও, কলকাতা ইসলামিক শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে একজন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষার্থীকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়, যাতে ইরাকের পবিত্র শহর জিয়ারতের সফর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তরুণদের জ্ঞানগর্ভ ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে আরও উদ্বুদ্ধ করতে এই উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের বক্তারা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে নাহজুল বালাগার সাথে নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন শুধু একটি বৈজ্ঞানিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভারতের ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্মের ধর্মীয়, নৈতিক ও প্রজ্ঞাময় শিক্ষার পথে একটি কার্যকর পদক্ষেপ।
এই আয়োজনে তালেবা ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহপূর্ণ অংশগ্রহণ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ইসলামি কেন্দ্রগুলোর গতিশীলতা এবং তরুণ প্রজন্মের আহলে বাইত (আ.)-এর জ্ঞান অর্জনের আগ্রহের প্রমাণ বহন করে। এই মেধাবীদের যথাযথ সম্মাননা এই অঞ্চলে বৈজ্ঞানিক ও ধর্মীয় প্রতিভার আরও বিকাশের ইঙ্গিত দেয়।
আপনার কমেন্ট