হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, হিব্রু দৈনিক ইয়েদিওট অ্যারোনট জানিয়েছে, ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থা আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কিছু মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি, কিছু দেশে তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক বৈধতা হ্রাসের চেষ্টা।
পত্রিকাটি লিখেছে, ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞার শিকার শাসনব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে এবং ৭ অক্টোবরের অভিযানের পর থেকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এই প্রক্রিয়া মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে এবং এটি বিস্তৃত হতে দিয়েছে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোএল বারো মঙ্গলবার ঘোষণা করেছেন যে, পশ্চিম তীরে সহিংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
রয়টার্স নিউজ এজেন্সি ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে সহিংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরের ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটেন অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স ও নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
এই যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীরা তাদের সমর্থকদের সহায়তায় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্স ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ, ৪ জন বসতি গোষ্ঠীর নেতা এবং ২১ জন বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। Top of Form
আপনার কমেন্ট