হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৭ জুন রাতের মিছিল ও সমাবেশে আগের রাতগুলোর মতো মহিলাদের অংশগ্রহণ (participation) পুরুষদের চেয়ে
কয়েকগুণ বেশি। ভিডিওতে দেখুন পুরুষ অংশগ্রহণকারীরা যে গাড়ীতে নওহা, মর্সিয়া ও শোকগাঁথা পড়া হচ্ছে সেটার সামনে রয়েছেন কিন্তু তাদের সংখ্যার চেয়ে মহিলা অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা অনেক গুণ বেশি এবং মহিলাদের মিছিল পুরুষদের মিছিলের চেয়ে অনেক দীর্ঘ যেন শেষ হচ্ছে না! আসছেই শুধু আসছেই।
এই চিত্র শুধু আমাদের মহল্লার নয় গোটা ইরানের চিত্রই হচ্ছে ঠিক এমন।বলা হয় যে ইরানের ইসলামী বিপ্লবকে ইরানী মহিলারা টিকিয়ে রেখেছে এবং বিভিন্ন বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। যে তেহরান সম্পর্কে পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম গুলো প্রচার করে বেড়ায় ইরানের মহিলারা বিশেষ করে তেহরানের মহিলারা বিশেষ করে জেনজেড প্রজন্মের অল্প বয়স্ক বা উঠতি বয়সের মেয়েরা নাকি ইসলামী হিজাব বর্জন ও ত্যাগ করেছে সেই ইরান ও বিশেষ করে তেহরানে এ সব নৈশ মিছিল ও সমাবেশ সমূহে মিলিয়ন মিলিয়ন ইসলামী হিজাব ও চাদর পরিহিতা ইরানী মহিলা ১০৯ রাত ধরে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশ গ্রহণ করছেন।
আজ ছিল ৩ মুহাররমের রাত এবং ইরানী জনগণের নৈশ মিছিল ও সমাবেশের ১০৯ তম রাত।
এ বাস্তবতার বাস্তব চিত্র নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল।
১০৯ রাত ধরে ইরানের সড়ক, রাজপথ,স্কয়ার,ময়দানে ইরানী জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিত আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে যুদ্ধে হার মানতে বাধ্য হয়েছে এবং ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা সমূহের কোনো একটিও অর্জন করতে সক্ষম হয় নি ইরানের হাতে মার খাওয়া বিশ্বের এক নম্বর ছুপার পাওয়ার মা.যু.রা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ও তার মিত্র ইতরাইল (ইসরাইল)!!!!!!
ইসলামী চিন্তাবিদ গবেষক ও লেখক মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান
আপনার কমেন্ট