হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় চৌদ্দশ’ বছর আগের এই দিনে ইরাকের কারবালায় বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (স.)’র প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর ৭২ জন সঙ্গী-সাথী সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
১লা হতে ১০ই মহররম পর্যন্ত শোক আলোচনা করবেন ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী।
গত ৬ মহররম ২১ জুন ২০২৬ (রবিবার) বাদ মাগরিব এ মজলিসের সূচনা হয় মার্সিয়া মাধ্যমে।
৬ মহররমে শোক মজলিসে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী।
তিনি বলেন, আজকে মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচী আলাদা করা হয়েছে। এর কারণ হচ্ছে আহলে বায়েতকে মূল্যায়ন না করা। যদি আহলে বায়েতকে মুল্যায়ন করতো তাহলে মাদ্রাসায় দার্শনিক, বিজ্ঞানী সৃষ্টি হতো।
ইমাম খোমেনী (রহ.) বলেছেন, পশ্চিমাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছে তোমরা দার্শনিক নিয়ে আস আমার দেশের দার্শনিকের সাথে মুনাজেরা করি তাহলে বুঝতে পারবে কোন দেশের দার্শনিক উচ্চপর্যায়ে রয়েছে।
হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর ওফাতের সময় কলম ও কাগজ চেয়েছিলেন তখন যদি কলম ও কাগজ দেওয়া হতো তাহলে ইসলামের এই দুরাবস্থা হতো না। হযরত হোসাইন (আ.) বলেছেন, যারা আমার সাথে সম্পর্কযুক্ত রয়েছে তারা সফলতা লাভ করবে।
তিনি আরও বলেন, রেওয়ায়েত বর্ণিত হয়েছে যে, ইমাম হোসাইন (আ.) আলী আকবরকে কারবালার রণক্ষেত্রে প্রেরণ করে শত্রুদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: হে লোকসকল! তোমরা সাক্ষী থেকো আমি আমার সন্তানকে রণক্ষেত্রে প্রেরণ করছি, যে ছিল রাসুল (সা.)-এর সদৃশ্য| যখন আমার মনে রাসুল (সা.)কে দেখার আশা জাগতো তখন আমি তাকে দেখে মনের আশা মিটাতাম।
এই শোকসভার আয়োজনে মুসলমানদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ ইমাম হোসাইন (আ.)-এর প্রতি আজাদারী শিক্ষার বহিঃপ্রকাশ। মজলিসের শেষে মাতম, যিয়ারতে আশুরা, দোয়া-এ-ইমাম জামান (আ.) এবং তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে শোক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
আপনার কমেন্ট