হাওজা নিউজ এজেন্সি: দেশটির কাশান শহডে অনুষ্ঠিত জনগণের উপস্থিতির ১২৯তম ‘হামাসা বা ময়দানে জনগণের সরব উপস্থিতি’ কর্মসূচি এবং হেইয়াতে রাজমান্দেগানে ইসলাম কাশানের দ্বিতীয় শোকানুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখেন।
তিনি ‘রমজানের যুদ্ধে’ আল্লাহর অদৃশ্য সাহায্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ঐ যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালিত হয়ে নির্ভুলভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এক বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাডারে আঘাত হানে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের বিপরীতে শত্রুপক্ষ ১০টি করে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। কিন্তু আল্লাহ তাআলা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রকে শত্রুর ডজন ডজন প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র অতিক্রম করিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে দেন।
হুজ্জাতুল মাহদী তাইয়্যেব বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ কেবল ইরানি জনগণের ওপরই নয়, দেশটির সামরিক শক্তির ওপরও বর্ষিত হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে দেওয়া হুমকির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ট্রাম্প শুরুতে অনেক হুমকি দিয়েছিলেন; কিন্তু পরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র থেকে নিরাপদ থাকার জন্য ছাড় দেওয়ার পথ খুঁজতে শুরু করেন।
তিনি পুনরায় বলেন, আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ইরানি জাতির ওপর বর্ষিত হয়েছে এবং উম্মাহর শহীদ নেতার পবিত্র রক্ত ইরানি জাতিকে বিজয়ের শিখরে পৌঁছে দেবে। তবে সেই শিখরে পৌঁছাতে ধৈর্য ধরতে হবে, তাড়াহুড়ো করা যাবে না। তিনি বলেন, “আল্লাহর সাহায্যে আমরা আমেরিকাকে পদদলিত করব।”
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী নিজ দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা না চালানোর পরামর্শ দিচ্ছে। তাঁর ভাষায়, যখন যুক্তরাষ্ট্র শক্তির শীর্ষে ছিল, তখনও তারা ইরানের কাছে পরাজিত হয়েছে; আর এখন, যখন অঞ্চলে তাদের কার্যকর কোনো ঘাঁটি অবশিষ্ট নেই, তখন তারা ইরানের মোকাবিলা করতে সক্ষম নয় এবং অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে চাইছে।
আপনার কমেন্ট