বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২৬ - ১২:২৯
‘আমার চাঁদ চলে গেল’ কবিতাটি ইমাম খামেনেয়ীর শাহাদাতকে কেন্দ্র করে রচিত

ফিলিস্তিনি কবি রিমা নাবাতি ‘শহীদ ইমাম আন্তর্জাতিক পুরস্কার’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ইরানের ‘শহীদ নেতা’র ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বলেন, তাঁর চরিত্রের প্রতিটি দিকই ছিল অনন্য। তবে দুর্ভাগ্যবশত তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ তিনি পাননি।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি কবি ও গণমাধ্যমকর্মী রিমা নাবাতি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত তিনি ‘শহীদ নেতা’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শিগগিরই সেই সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার আগেই তিনি শহীদ হন। এরপর তিনি বলেন: এখন আমাদের আশা ইসলামী বিপ্লবের নেতা সাইয়্যিদ মুজতবা খামেনেয়ীর প্রতি। ইনশাআল্লাহ তিনি শহীদ নেতার এবং বিশ্বের সকল মজলুমের রক্তের প্রতিশোধ নেবেন।

তিনি নিজের সাহিত্যকর্মের প্রসঙ্গে বলেন, এ পর্যন্ত তিনি ‘শহীদ নেতা’কে নিয়ে দুটি কবিতা লিখেছেন। তাঁর শাহাদাতের পর তিনি গাবা কামারি (আমার চাঁদ চলে গেল) শিরোনামে আরেকটি কবিতা রচনা করেন।

রিমা নাবাতি ‘শহীদ নেতা’র ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বলেন, তাঁর চরিত্রের সব দিকই ছিল অসাধারণ। কবিতা, বইপড়া, নারী এবং বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের প্রতি তাঁর বিশেষ মনোযোগ ছিল তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। তাঁর ভাষায়, যে দিক থেকেই তাঁর ব্যক্তিত্বকে দেখা হোক না কেন, তিনি ছিলেন অনন্য।

শেষে তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘শহীদ নেতা’ মানুষকে সন্তান গ্রহণে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, আমাকে আনন্দ দিতে চাইলে তোমাদের সন্তানের জন্মের খবর দাও। নাবাতির মতে, এই দূরদর্শিতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তাঁদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান ও সম্মানের।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha