হাওজা নিউজ এজেন্সি: বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ও ইরাকে ‘শহীদ বিপ্লবী নেতার’ জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ উপলক্ষে সর্বোচ্চ নেতার দেওয়া বার্তা প্রতিরোধের ধারাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। পাশাপাশি হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ‘কিসাস’ (প্রতিশোধমূলক বিচার) কার্যকরের ওপর তাঁর জোরালো অবস্থান ‘শহীদের রক্তের প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করেছে বলে দাবি করা হয়।
সংগঠনটি সর্বোচ্চ নেতার প্রতি আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, তাঁর নির্দেশনাই চূড়ান্ত এবং তা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে তিনটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে—
প্রথমত, ‘শহীদ ইমামের’ হত্যার প্রতিশোধের প্রশ্নে রাজনৈতিক সুবিধা-অসুবিধার হিসাব বা সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশের পরিধি সীমিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী এবং নেতৃত্বের নির্দেশ অমান্য করার সামিল।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও বিচারিক কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক পরিসর এবং বিশ্ব জনমতের কাছে প্রতিশোধের দাবির পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও প্রচারণার মাধ্যমে ‘অপরাধী ও ভুক্তভোগীর অবস্থান পাল্টে দেওয়ার’ যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
তৃতীয়ত, প্রতিশোধ গ্রহণকে একটি ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের উচিত এ দায়িত্ব পালনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখা।
বিবৃতির শেষাংশে সংগঠনটি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানিয়ে বলেছে, মুসলিম উম্মাহ যেন শিগগিরই বিজয় লাভ করে এবং ‘হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের’ যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত হয়।
আপনার কমেন্ট