হাওজা নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুসাইনী আরবাঈন পদযাত্রা মানবজাতির অন্যতম বৃহত্তম সমাবেশ হিসেবে, একটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের চেয়েও বেশি কিছু; এটি ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাবের পথে প্রতিরোধের চর্চা ও সমর্থন সংগ্রহের একটি ময়দান হিসেবে বিশ্লেষিত হয়, যার লক্ষ্য বৈশ্বিক অভ্যুত্থান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
প্রশ্ন: হুসাইনী আরবাঈন পদযাত্রার সাথে ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাবের কী সম্পর্ক?
উত্তর: বর্ণনা অনুযায়ী, আবির্ভাবের পূর্বে বিশ্ব জুলুমের কবলে নিমজ্জিত হবে, কিন্তু এই অন্ধকারে সজাগ মুমিনরা ইমাম মাহদী (আ.)-কে সাহায্য করার অপেক্ষায় থাকবে। তাঁর বৈশ্বিক অভ্যুত্থান ৩১৩ জন বিশেষ সঙ্গী দিয়ে শুরু হবে এবং বিশ্বের হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষের যোগদানের মাধ্যমে তা পূর্ণতা পাবে।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে, আরবাঈন হলো আমাদের এই সময়ে সমর্থন সংগ্রহের একটি সুযোগ এবং ইমামে হক (সত্যের ইমাম)-কে সাহায্য ও প্রতিরোধের চর্চার একটি মাধ্যম। যদিও আমাদের সময়ে আবির্ভাব না-ও হতে পারে, এই বিরাট আন্দোলন ঈমানকে জীবন্ত করে, উম্মতের ঐক্য বৃদ্ধি করে এবং আমাদেরকে ঐশী মূল্যবোধ রক্ষায় সুদৃঢ় করে; ঠিক সেই মূল্যবোধগুলোর জন্যই ইমাম হুসাইন (আ.) নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং ইমাম মাহদী (আ.) যার জন্য অভ্যুত্থান করবেন।
অতএব, আরবাঈন পদযাত্রা কেবল কারবালার সফর নয়; এটি অন্তর গঠন করার, সংকল্প দৃঢ় করার, মূল্যবোধ পুনরুজ্জীবিত করার এবং আবির্ভাব ও অভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত হওয়ার একটি পথ।
সূত্র: জাতীয় ধর্মীয় প্রশ্নোত্তর কেন্দ্র।
আপনার কমেন্ট