মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট ২০২৬ - ১৬:১৭
শহীদ ইমামের একটি নিদর্শনে ইন্দোনেশিয়ার সুপারমডেলের প্রতিক্রিয়া: ‘কান্না থামাতে পারছি না’

ইরানের বিভিন্ন সামাজিক শ্রেণির মানুষের মধ্যে শহীদ নেতার আধ্যাত্মিক মর্যাদার প্রতি গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখে ইন্দোনেশিয়ার এক শিল্পী নারীর চোখে অশ্রু নেমে আসে। তাঁর ইনস্টাগ্রাম বায়োতে লেখা হয়েছে-‘আমি তোমাকে কাঁদতে দেব না’।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার সুপরিচিত চলচ্চিত্র নির্মাতা হালিম ফারলি শহীদ নেতার পাগড়ি ও তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নিদর্শনকে কেন্দ্র করে নির্মিত স্ট্রিট ডকুমেন্টারিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

একটি নিদর্শন ও হাজারো অব্যক্ত কান্না শিরোনামের এই ভাইরাল ডকুমেন্টারিতে ইরানের বিভিন্ন চিন্তাধারার মানুষের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে শহীদ নেতার সঙ্গে সম্পর্কিত পাগড়ি দেখার পর তাঁদের অকৃত্রিম প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধারাবাহিকতায় জাকার্তায় নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর ইয়াহিয়া জাহাঙ্গিরি গত সপ্তাহে ভিডিওটি পোস্ট করেন।

ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার এক অভিনেত্রী, গায়িকা, প্রযোজক ও মডেলের প্রতিক্রিয়াই বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার এই শিল্পী নারীর ইনস্টাগ্রামে ১ লাখ ১৬ হাজার অনুসারী রয়েছে এবং অভিনয় ও বিনোদন জগতে তাঁর উল্লেখযোগ্য পরিচিতি রয়েছে। ভিডিওটি দেখার পর তিনি ইরানের প্রতিনিধির পেজকে ট্যাগ করে লিখেছেন:

জানি না কেন?! ভিডিওটি দেখার পর শুধু অনিয়ন্ত্রিতভাবে কেঁদেই চলেছি।

উল্লেখ্য, তাঁর ইনস্টাগ্রাম বায়োতে takkankubiarkankaumenangis বাক্যাংশটি লেখা রয়েছে, যার অর্থ দাঁড়ায় আমি তোমাকে কাঁদতে দেব না। শহীদ আয়াতুল্লাহুল উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)-এর একটি ছোট্ট নিদর্শনের প্রতি তাঁর আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়ায় সেখানে লেখা হয়েছে-কান্না থামাতে পারছি না

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha