হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, আবুজায় ইরানের সাংস্কৃতিক পরামর্শক কার্যালয়ের উদ্যোগে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের কানো শহরে শহীদ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর দাফনের চল্লিশতম দিনের স্মরণে একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
হাজার হাজার ইসলামি আন্দোলনের অনুসারীর উপস্থিতি, শোকানুষ্ঠান, প্রতীকী জানাজা ও শোভাযাত্রা এবং শহীদ নেতার ব্যক্তিত্ব, জীবন, প্রতিরোধ ও চিন্তাধারা নিয়ে বক্তৃতা ছিল এই অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য অংশ।
নাইজেরিয়ার ইসলামি আন্দোলনের কানো শাখার সদস্য ও সমর্থকরা এবং শেখ ইব্রাহিম জাকজাকির শিষ্য ও অনুসারীরা কানোর ইউসুফ নাদাবো এলাকায় এক বিশাল ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে সমবেত হন। সেখানে তাঁরা বিশ্বব্যাপী জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের নেতা হিসেবে উল্লেখিত হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)-এর দাফনের চল্লিশতম দিন স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা সংহতি, আনুগত্য ও শ্রদ্ধা প্রকাশের মাধ্যমে প্রয়াত প্রতিরোধ নেতার স্মৃতি ও আদর্শকে স্মরণ করেন।
শেখ ইমরাহিম জাকজাকির অন্যতম বিশিষ্ট শিষ্য শেখ ইয়াকুবো কুরনা তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত লোকদের সামনে হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)-এর জীবন, সংগ্রাম, ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক ও শিক্ষার ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।
তিনি শহীদ নেতার আদর্শ জীবন, জ্ঞান, তাকওয়া ও দৃঢ়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, ধর্মীয় দূরদৃষ্টি, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দৃঢ়তার চেতনার কারণে তিনি সারা বিশ্বের ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার অনুসারীদের জন্য এক অনন্য আদর্শ ছিলেন।
কুরনা প্রয়াত নেতার কৌশলগত ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে সাহসিকতা, সাদাসিধে জীবনযাপন, দায়িত্বশীলতা এবং বিশ্বব্যাপী আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের পথে অবিচল থাকার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এই গুণগুলো কেবল একজন মানুষের ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য ছিল না; বরং ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ভিত্তিতে একটি সামাজিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এগুলো মানবজাতির জন্য একটি স্থায়ী ও অনুপ্রেরণাদায়ক আদর্শ।
আপনার কমেন্ট