হাওজা নিউজ এজেন্সি: সাম্প্রতিক উদ্ভূত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ থেকে অর্জিত অপারেশনাল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব ড্রোন উন্নয়ন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিশেষজ্ঞরা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ড্রোনগুলো উৎপাদন করেন।
ড্রোনগুলোকে আঘাত হানা (স্ট্রাইক), আক্রমণাত্মক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন অপারেশনাল শ্রেণিতে নকশা করা হয়েছে। এগুলো স্থল, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক পরিবেশে স্থির ও চলমান নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে কার্যকরভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
স্থলভিত্তিক ও নৌভিত্তিক ড্রোন সংযোজন প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেন, কৌশলগত সক্ষমতা বজায় রাখা ও তা আরও জোরদার করা সেনাবাহিনীর একটি স্থায়ী অগ্রাধিকার।
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য হুমকির আলোকে দ্রুত যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোই ইরানের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।
সামরিক নিরাপত্তাজনিত কারণে সংযুক্ত ড্রোনগুলোর কোনো ছবি প্রকাশ করা হয়নি।
আপনার কমেন্ট