হাওজা নিউজ এজেন্সি: ‘স্থিতির অঙ্গীকার; ধৈর্য থেকে জয়’ শীর্ষক এক সম্মেলনে শেখ নাজিম আস-সাঈদী ইরাকে প্রতিরোধের অবস্থান প্রসঙ্গে জোর দেন যে, তারা কখনোই ইরাককে ইরানের শত্রুদের আছড়ে পড়ার রণক্ষেত্রে পরিণত হতে দেবেন না।
তিনি আরও বলেন, হাশদ আশ-শাবি ও প্রতিরোধ একে অপরের থেকে অবিচ্ছেদ্য। তিনি পরিষ্কার জানান, “ইরাকের জনগণের মর্যাদায় যেই আঘাত হানে, আমরা তাকে কঠোর জবাব দেব।”
অস্ত্র ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে শেখ সাঈদী বলেন, “আমরা আশা করি, সংসদে সরকারের কর্মসূচি ও অস্ত্র একচেটিয়াকরণ সংক্রান্ত আলোচনা বাস্তবসম্মত হবে এবং ইরাকের জাতীয় স্বার্থে কাজ করবে। যদি ‘নিয়ন্ত্রণহীন অস্ত্র’ বলতে অবৈধ ও বিশৃঙ্খলাকারী অস্ত্র বোঝানো হয়, তাহলে তা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়; কারণ তারা কঠিনতম সময়েও পবিত্র বিষয় ও জনগণের রক্ষক হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে।”
নুজাবা আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব শুরু থেকে আন্দোলনের অবস্থানের ধারাবাহিকতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, “আমরা রাজনৈতিক কাঠামো ও সংসদে যোগ দিইনি, বরং ইরাকের জনগণের সেবার কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করছি। পরিস্থিতি ও পরিবেশ যেভাবেই বদলাক, আমরা যেখানে থাকা প্রয়োজন সেখানেই থাকব—জনগণের পাশে, পবিত্র বিষয় ও নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থেকে প্রতিরোধের পথে অনড় থাকব।”
তিনি বক্তৃতার শেষাংশে প্রতিরোধ থেকে উদ্ভূত সহযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদদের সম্বোধন করে বলেন, “প্রতিরোধ কেবল অস্ত্র দিয়ে হয় না, বরং অবস্থান, সেবা ও আনুগত্যও এর অংশ। যে জনগণ একসময় উপত্যকা ও পাহাড়ে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে তোমাদের পিঠ জুগিয়েছিল, তারা আজ তোমাদের কাছ থেকে অন্য ধরনের প্রতিরোধ প্রত্যাশা করে—দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং সেই সঙ্গে অবহেলা ও অদক্ষতার মোকাবিলা; যেসব ব্যর্থতা আমাদের যুব সমাজের স্বপ্নকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।”
আপনার কমেন্ট