হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রয়াত হযরত আয়াতুল্লাহ মুহাম্মদ ত্বাকী বেহজাত (রহ.)-কে “কীভাবে ইমামে জামানা (আ.ফা.)-এর ঘরের দরজায় কড়া নাড়তে হয়?”—এই প্রশ্নের উত্তরে যা বলেছেন, তা বিজ্ঞজনের জন্য উপস্থাপন করা হলো:
ইমামে জামানা (আ.ফা.)-এর জন্য দোয়া যদি শুধু জবানী না হয়ে হৃদয়গত হয়, তাহলে কি তা আমাদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা আকর্ষণে এবং তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা বৃদ্ধিতে কার্যকর হবে না?!
এক ব্যক্তি এক বিদ্যানের কাছে এসে বলল,
আমি এক বিপদ ও কষ্টে পতিত হয়েছি; আপনি আমার জন্য একটি মানত করুন, যাতে আমি মুক্তি পেলে তা আদায় করতে পারি।
বিদ্যান বললেন, তোমার জন্য মানত করলাম।
কিছুদিন পর সেই ব্যক্তি এসে বলল, সেই বিপদ দূর হয়েছে; আপনি যে মানত করেছিলেন তা বলুন, যেন আমি আদায় করি।
বিদ্যান বললেন, আমি নিজেই তা আদায় করে দিয়েছি।
লোকটি বলল, এর খরচ কত বলে দিন, যেন তা পরিশোধ করতে পারি।
বিদ্যান বললেন, এর কোনো খরচই ছিল না।
লোকটি জিজ্ঞেস করল, তাহলে আপনি কী মানত করেছিলেন?
বিদ্যান বললেন, ইমামে জামানা (আ.)-এর জন্য একটি দরুদ (সালাওয়াত) মানত করেছিলাম!
হ্যাঁ; দরুদ আমাদের কাছে ছোট মনে হয়, কিন্তু তা অতি বড়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) কি বলেননি যে,
مَنْ صَلَّی عَلَیَّ مَرَّةً لَمْ یَبْقَ لَهُ مِنْ ذُنُوبِهِ ذَرَّةঅর্থাৎ যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠায়, তার গুনাহের একটি অণুও অবশিষ্ট থাকে না।
[‘বিশারত মিন হযরতে হুজ্জাত (আ.)’ গ্রন্থ, পৃষ্ঠা ৩৮০]
আপনার কমেন্ট