মঙ্গলবার ২ জুন ২০২৬ - ১০:২৪
‘সদাচরণ’ মানুষের হৃদয়ে সদাচরণকারী ব্যক্তির মর্যাদাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে

উত্তম চরিত্র কেবল একটি নৈতিক গুণ নয়; এটি মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। শহীদ বিপ্লবী নেতা তাঁর এক নৈতিক আলোচনায় বলেন, মানুষের সঙ্গে বিনয়ী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ জীবনকে যেমন সুখময় করে, তেমনি সমাজে ব্যক্তির গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদাও বৃদ্ধি করে।

হাওজা নিউজ এজেন্সি:শহীদ আয়াতুল্লাহ ইমাম খামেনেয়ী (রহ.) তাঁর দারসে খারিজ ফিকহের এক অধিবেশনের সূচনায় হযরত হুমরান ইবনে আ‘ইনের বর্ণিত একটি হাদিসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন,

وَلا عَيْشَ أَهْنَأُ مِنْ حُسْنِ الْخُلُقِ

—“উত্তম চরিত্রের চেয়ে অধিক সুখকর জীবন আর নেই।”

নিচে তাঁর বক্তব্যের অনুবাদ তুলে ধরা হলো—

_বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম_
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ, বিশ্বজগতের প্রতিপালকের জন্য।

وَلا عَيْشَ أَهْنَأُ مِنْ حُسْنِ الْخُلُقِ

—এটিও হুমরান ইবনে আ‘ইনের বর্ণিত সেই হাদিসের ধারাবাহিক অংশ। অর্থাৎ উত্তম চরিত্রের সঙ্গে অতিবাহিত জীবনের চেয়ে অধিক তৃপ্তিদায়ক ও আনন্দময় জীবন আর নেই।

এর কারণ হলো, যদি ‘হুসনুল খুলুক’ বলতে মানুষের সঙ্গে সুন্দর সামাজিক আচরণ—যেমন বিনয়, নম্রতা, আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার—বুঝানো হয়, তবে এমন মানুষের জীবন স্বাভাবিকভাবেই সহজ ও মধুর হয়ে ওঠে। কারণ সমাজে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিক্রিয়াশীল।

আপনি যদি মানুষের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করেন, তারা আপনাকে একজন বিনয়ী মানুষ হিসেবেই দেখবে। আর যদি অহংকার করেন, তবে আপনাকে অহংকারী বলেই বিবেচনা করবে।

এটি স্বাভাবিক যে মানুষ বিনয়ী ও সদাচারী ব্যক্তিকে অহংকারী ব্যক্তির তুলনায় বেশি পছন্দ করে। তাই উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি সহজেই মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেয় এবং তার জীবনও অধিক শান্তি ও প্রশান্তিতে ভরে ওঠে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha