সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ - ১০:৫০
মহররমে ইমাম মূসা আল-কাযিম (আ.)-এর শোক

কারবালার শোক শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি নয়; আহলুল বাইত (আ.)-এর জীবনযাপনে তা ছিল গভীর বেদনা, আত্মত্যাগের শিক্ষা এবং সত্যের প্রতি অবিচল থাকার এক চিরন্তন প্রেরণা।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: ইমাম রেজা (আ.) তাঁর পিতা ইমাম মূসা আল-কাযিম (আ.)-এর মহররমের দিনগুলোর অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে সেই শোকেরই এক হৃদয়স্পর্শী চিত্র তুলে ধরেছেন।

ইমাম রেজা (আ.) বলেন—

کانَ أَبِی إِذا دَخَلَ شَهْرُ الْمُحَرَّمِ لا یُرَی ضاحِکاً، وَکانَتِ الْکَآبَةُ تَغْلِبُ عَلَیْهِ حَتّی یَمْضِیَ مِنْهُ عَشَرَةُ أَیّامٍ، فَإِذا کانَ الْیَوْمُ الْعاشِرُ کانَ ذَلِکَ الْیَوْمُ یَوْمَ مُصِیبَتِهِ وَحُزْنِهِ وَبُکَائِهِ...

যখন মহররম মাস শুরু হতো, তখন আমার পিতাকে আর হাস্যোজ্জ্বল দেখা যেত না। বিষণ্নতা ও গভীর শোক তাঁকে আচ্ছন্ন করে রাখত মহররমের প্রথম দশ দিন পর্যন্ত। আর যখন দশম দিন—আশুরা—উপস্থিত হতো, তখন সেই দিনটি তাঁর কাছে ছিল সীমাহীন বেদনা, শোক ও অশ্রুর দিন।

[আমালী আস-সাদূক, পৃ. ১১১]

এই বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কারবালার মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির স্মরণে আহলুল বাইত (আ.) মহররমকে গভীর শোক, আত্মঅনুধ্যান ও ইমাম হুসাইন (আ.)-এর আদর্শ পুনঃস্মরণের সময় হিসেবে অতিবাহিত করতেন। বিশেষ করে আশুরার দিন তাঁদের শোক ও বেদনা তীব্রতর হয়ে উঠত।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha