হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইসরায়েলি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে-এমন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে দূতাবাস দাবি করে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ন্যায়বিচারের ধারণাকে নিরপেক্ষ আইনি নীতি হিসেবে নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক ও ঔপনিবেশিক স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে।
দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রে একই ধরনের অপরাধের জন্য বিভিন্ন দেশের প্রতি ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, কিছু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানের দূতাবাস আরও বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে ইউরোপ গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত দখলদার শক্তির জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক আশ্রয়দাতা এবং তাদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দূতাবাসের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই স্পষ্ট ছিল যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ন্যায়বিচারের ধারণাকে মূলত নিজেদের ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এগিয়ে নেওয়ার একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে আগ্রহী।
বিবৃতির আরেক অংশে বলা হয়, এখন আর কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপই দখলদার ও গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত অপরাধীদের দায়মুক্তির সবচেয়ে বড় সহায়ক।
ইরানের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের তদন্ত এবং আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে ইরানের দূতাবাসের এই বক্তব্য তাদের আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রয়োজন হলে আমি এটিকে আরও পত্রিকার প্রথম পাতার উপযোগী, নিরপেক্ষ সংবাদধর্মী বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের আকারেও রূপান্তর করতে পারি।
আপনার কমেন্ট