বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট ২০২৬ - ১৬:১০
যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সংকট থেকে দৃষ্টি সরাতেই ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’: আরাকচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ আসলে দেশটির নিজস্ব সংকট—অভূতপূর্ব ঋণ ও ক্রমবর্ধমান সুদ ব্যয়ের—দিক থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: বৃহস্পতিবার নিজের এক্স (X) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ নীতি অব্যাহত রাখলে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হবে এবং ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা আরও বাড়বে।

তিনি লেখেন, “কথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সংকট—অভূতপূর্ব ঋণ ও ক্রমবর্ধমান সুদ ব্যয়—থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা।”

আরাকচি আরও বলেন, “ব্যর্থ নীতিগুলোর ওপর আরও জোর দিলে কেবল আরও পরাজয় এবং ইরানিদের আরও বিরূপ মনোভাবই সৃষ্টি হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ বিশ্ব অর্থনীতি এবং বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে।”

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের অভূতপূর্ব বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা কয়েকটি প্রতিবেদনের ছবিও তাঁর পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত করেন। এসব প্রতিবেদনের শিরোনামে উল্লেখ করা হয়, কয়েক দশক ধরে ঋণ নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের এই মাইলফলককে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুতর আর্থিক উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ৪০.০৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২.৯০ ট্রিলিয়ন ডলার বা ৭.৮ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, একটি গ্রাফিকে ১৯৯৩ সাল থেকে মাসভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের কথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ উদ্যোগকে ওয়াশিংটনের ক্রমবর্ধমান ঋণ ও অর্থনৈতিক সংকট থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha