হাওজা নিউজ এজেন্সি : আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাওয়াদি আমোলি সূরা হিজরের তাফসিরের ১৯তম অধিবেশনে ‘মুসাল্লা’—অর্থাৎ নামাজ আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান—সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে পরিবারগুলোকে ঘরে নামাজ, দোয়া ও মুনাজাতের জন্য একটি স্থায়ী স্থান নির্ধারণের পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন,
“বলা হয়, কোনো মুমূর্ষু ব্যক্তির মৃত্যুযন্ত্রণা যখন কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তাকে মুসাল্লায় নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, ঘরের যে স্থানে সে নামাজ আদায় করত, তাকে সেখানে নিয়ে গেলে তার জন্য মৃত্যুর সময়টা সহজতর হয়।”
তিনি আরও বলেন, “সামর্থ্য থাকলে ঘরের একটি কক্ষ নামাজের জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা উচিত—একটি নামাজের কক্ষ, যেখানে সে নিজে ও তার সন্তানরা শুধু নামাজ আদায় করবে, দোয়া করবে এবং মুনাজাত করবে। আর যদি আলাদা একটি কক্ষ নির্ধারণ করার মতো সামর্থ্য না থাকে, তাহলে ঘরের কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানকে নিজের মুসাল্লা হিসেবে নির্ধারণ করা উচিত, যাতে নিয়মিত সেখানে নামাজ আদায় করা হয়।”
আয়াতুল্লাহ জাওয়াদি আমোলি বলেন, “এ বিষয়টি আমাদের রেওয়ায়েত, ফিকহ এবং ধর্মীয় নির্দেশনাতেও উল্লেখ রয়েছে—কোনো মুমূর্ষু ব্যক্তির মৃত্যুযন্ত্রণা কঠিন হয়ে পড়লে তাকে তার মুসাল্লায় নিয়ে গেলে তার জন্য মৃত্যু সহজতর হয়। সুতরাং, এর অবশ্যই একটি প্রভাব রয়েছে।”
সূত্র: আয়াতুল্লাহ আল-উজমা জাওয়াদি আমোলির সূরা হিজরের তাফসির।
আপনার কমেন্ট