হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, কাশ্মীরে গণবিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দমন ও নিরাপত্তা জনিত কারণে গত ১০০ দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ করে রেখেছে তথাকথিত গণতান্ত্রিক ভারত সরকার।
আর ভারত নাকি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দ্যাশ। এখন তথাকথিত গণতান্ত্রিক পশ্চিমা দ্যাশগুলো অপর এক তথাকথিত গণতান্ত্রিক দ্যাশ ভারতের এহেন গণবিরোধী পদক্ষেপের বিরোধিতায় টু শব্দটি পর্যন্ত করছে না।
অথচ পশ্চিমাদের বিশেষ করে মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ষড়যন্ত্র, নাশকতামূলক কার্যকলাপ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য এবং নিরাপত্তা জনিত কারণে ইরান যদি ইন্টারনেটে সীমাবদ্ধতা ও সেন্সরশিপ আরোপ করতে অথবা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় তখন গোটা পশ্চিমা বিশ্ব ইরানে কোনো বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই,
ইরানে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ও সরকার বিরোধীদের ভয়ানক ভাবে দমন করার জন্য ইরান সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে রেখেছে যাতে করে ভিন্ন মতাবলম্বী ও প্রতিবাদকারীদের দমন ও নির্যাতনের সংবাদ যেন বহির্বিশ্বে প্রচারিত না হয় ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের হাবিজাবি কথা বলে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে জোর সে অপপ্রচার চালায়!
কাশ্মীরে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ইন্টারনেট
কিন্তু এখন সেই পশ্চিমারা ভারতের এ ধরনের অগণতান্ত্রিক আচরণ, কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ ও অবাধ তথ্য প্রবাহে বাধা সৃষ্টির মতো জনস্বার্থ বিরোধী পদক্ষেপের ব্যাপারে একদম চুপ মেরে বসে রয়েছে যেন ভারতে সব কিছু ঠিকঠাক ও স্বাভাবিক আছে।
ভারত পশ্চিমা দ্যাশ গুলা ও ইতরাইলের (ইসরাইল) ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ার জন্য এবং ইরান ওদের যুদ্ধরত শত্রু হওয়ার জন্যই কি এ ধরনের বৈষম্য মূলক নীতি ও আচরণ দেখা যায় পশ্চিমাদের থেকে?!!!
আসলে এটাই হচ্ছে পশ্চিমাদের (পাশ্চাত্যের) প্রকৃত স্বরূপ।গণতন্ত্র ফনতন্ত্র আসলে বাজে বকওয়াস, ফাঁকা বুলি ও মাকাল ফল। বিশ্বকে যে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখায় পশ্চিমারা তা আসলেই অবাস্তব ও স্বপ্নেই শুধু কল্পনা করা যায় এবং তার অস্তিত্ব বিশ্বের কোথাও নেই।
এসব ফাঁকা বুলি আওড়িয়ে পশ্চিমারা এবং ওদের ধামাধরা চেলা চামুণ্ডারা সমগ্র বিশ্ব ও মানবজাতিকে শোষণ করছে। পশ্চিমা গণতন্ত্র নয় বরং গণতন্ত্রের প্রকৃত সংজ্ঞা খুঁজে বের করতে হবে।আর ইরানই পেরেছে পশ্চিমা গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বরূপ ও বাস্তব রূপ প্রকাশ করতে।
ভারতের গণতন্ত্র তো আসলে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের আশ্রিত গণতন্ত্র থেকেই উৎসারিত হয়েছে ও উৎপত্তি লাভ করেছে।
(দ্যাশ: দেশ, কারণ এই পশ্চিমা দেশগুলো মানবতার শত্রু ও সত্যবিরোধী হওয়ার কারণে প্রকৃত দেশ নয়। তাই এগুলোকে দেশ না বলে দ্যাশ বলাই উত্তম।)
মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান
আপনার কমেন্ট