বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৯:০৩
ইসলামি অভিবাদনে হিন্দুত্ববাদীদের আপত্তি, পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম আইপিএস কর্মকর্তাকে বদলি

ইসলামি অভিবাদন ও ধর্মীয় শব্দ ব্যবহারের কারণে হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের সমালোচনার মুখে পড়ার দুই দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের এক মুসলিম আইপিএস কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত এ খবর সংক্রান্ত কিছু প্রাসঙ্গিক কথা:
এ খবর থেকে প্রমাণিত হয় যে ইসলামী পরিভাষা ও আরবী শব্দ ব্যবহার বিধর্মীদের কাছে চরম অসহনীয় ও গাত্রদাহ তৈরি করে।

একদল তথাকথিত আধুনিক শিক্ষিতরা ভারতীয় ভাষা সমূহে (হিন্দী, পাঞ্জাবি, বাংলা, আসামী প্রভৃতি) আরবী ও ফার্সী শব্দ ও পরিভাষা ব্যবহারকে অশিষ্ট, অশোভন, অশুদ্ধ ও অবৈধ বিবেচনা করে এবং সংস্কৃত তদ্ভব শব্দ ব্যবহারকে শিষ্ট, বৈধ, শুদ্ধ ও শোভন মনে করে।

ইসলামি অভিবাদনে হিন্দুত্ববাদীদের আপত্তি, পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম আইপিএস কর্মকর্তাকে বদলি

এজন্যই আরবী-ফার্সী সহ উর্দু ভাষা যা আরবী হরফে লিখিত ও আরবী-ফার্সী শব্দ বহুল তা এবং আরবী ফারসী শব্দ বহুল বাংলা যা মুসলমানী বাংলা, পুঁথির বাংলা বা দোভাষী ভাষা হিসেবে খ্যাত ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কলিকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ১৮০০ সালে প্রবর্তিত আধুনিক সংস্কৃত ঘেঁষা বাংলার মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয় তা আধুনিক শিক্ষিত ভারতীয় ও বাংলা ভাষীদের কাছে চক্ষুশূল, অশিষ্ট, অমার্জিত, অশোভন, অশুদ্ধ, অবৈধ এবং ভারতীয় ও জাতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতা বিরোধী ও পরিপন্থী বলে গণ্য।

সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ প্রবর্তিত কৃত্রিম আধুনিক বাংলা ও হিন্দি ভাষায় আরবী ফার্সী শব্দ ও পরিভাষা ব্যবহার গুরু চণ্ডাল দোষ‌ এবং অশিষ্ট, অশোভন ও অভদ্র রীতি এবং এক্ষেত্রে সংস্কৃত শব্দ ও পরিভাষা ব্যবহার গুরুজন স্বীকৃত, ভদ্র, শিষ্ট, মার্জিত, শুদ্ধ , শোভন ও স্ট্যান্ডার্ড রীতি বলে গণ্য।
তাই এই মহিলা মুসলিম ভারতীয় পুলিশ অফিসার ইসলামী অভিবাদন,পরিভাষা এবং আরবী শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করলে হিন্দুত্ববাদী বিধর্মী, সেক্যুলার, ইসলাম, মুসলিম, আরবী ভাষা ও মুসলিম সংস্কৃতি বিদ্বেষী ভারত সরকার এবং তথাকথিত ভারতীয় শিক্ষিত আধুনিক ভদ্র সমাজের কাছে জঘন্য দোষী ও মহা অপরাধী বলে গণ্য হবেনই যা একান্ত স্বাভাবিক‌!!!!!!

মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান।

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha