হাওজা নিউজ এজেন্সি: পবিত্র রমজান মাসের ২৪তম দিনে অনুষ্ঠিত এই তাফসীর সভায় আলবোর্জ প্রদেশের ওলি ফকিহের প্রতিনিধি খারাপকে সর্বোত্তম পদ্ধতিতে প্রতিহত করার কুরআনী শিক্ষা বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন।
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন হোসেইনী হামাদানী সূরা ফুসসিলাতের ৩৪ নম্বর আয়াত “وَلَا تَسْتَوِی ٱلْحَسَنَهُ وَلَا ٱلسَّیِّئَهُ...” (পুণ্য ও পাপ সমান নয়...) উদ্ধৃত করে বলেন, “আল্লাহ তাআলা মুমিনদের নির্দেশ দিয়েছেন, তারা যেন খারাপের মোকাবিলায় উত্তম পন্থা অবলম্বন করে। এভাবে শত্রুরাও আন্তরিক বন্ধুতে পরিণত হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “এ আয়াত প্রমাণ করে, ভালো ও মন্দের মূল্য কখনই সমান নয়। মুমিনদের উচিত উত্তম আচরণের মাধ্যমে বিদ্বেষকে স্নেহে রূপান্তরিত করা।”
ওলি ফকিহের প্রতিনিধি নবীজি (সা.)-এর জীবনী থেকে উদাহরণ টেনে বলেন, “রাসূলুল্লাহ (সা.) নম্রতা ও মহানুভবতার মাধ্যমে লড়াকু শত্রুদেরও আন্তরিক বন্ধুতে পরিণত করেছিলেন। মক্কা বিজয়ের সময় তাঁর আচরণ এর জ্বলন্ত প্রমাণ। সেদিন তিনি প্রতিশোধের পরিবর্তে বলেছিলেন, ‘আজ ক্ষমার দিন।’ এ ধরনের মহানুভবতাই বহু মানুষকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করেছিল।”
তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, “এ শিক্ষা কেবল ব্যক্তিগত সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দাওয়াত ও ধর্ম প্রচারেও সমভাবে প্রযোজ্য। সদয় ও হিকমতপূর্ণ আচরণ মানুষের হৃদয় জয় করে, অন্যদিকে কঠোরতা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।”
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন হোসেইনী হামাদানী সভায় উপস্থিত সকলকে অজ্ঞতা ও শত্রুতার মুখে ধৈর্য্য ও সদাচরণ অবলম্বনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এভাবেই শত্রুতা পরিণত হতে পারে গভীর সৌহার্দ্যে।”
আপনার কমেন্ট