হাওজা নিউজ এজেন্সি: আয়াতুল্লাহ মুসাভী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে চালানো “ফিতনা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র” সর্বোচ্চ নেতার দিকনির্দেশনা এবং জনগণের সচেতন প্রতিরোধের ফলে একটি নতুন “বিজয়ে” পরিণত হয়েছে। তিনি ১৮ ও ১৯ দেই মাসের (৮ ও ৯ জানুয়ারি) ঘটনাবলির উল্লেখ করে বলেন, ২২ দেইয়ের (১৩ জানুয়ারি) ব্যাপক জনসমাবেশ নেতৃত্বের প্রতি মানুষের গভীর আস্থা এবং ষড়যন্ত্রকারীদের পরাজয়েরই প্রতীক।
তিনি তার বক্তব্যে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা তাঁর যুক্তি সমর্থন করে বলেন,
وَإِن يُرِيدُواْ خِيَانَتَكَ فَقَدۡ خَانُواْ ٱللَّهَ مِن قَبۡلُ فَأَمۡكَنَ مِنۡهُمۡ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
“আর যদি তারা তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার ইচ্ছা করে, তবে তারা তো এর আগেই আল্লাহর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। ফলে আল্লাহ তাদেরকে তোমার করায়ত্ত করে দিলেন। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।” (সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৭১)
তিনি ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের ষড়যন্ত্রের উল্লেখপূর্বক এবং আল্লাহর পরিকল্পনার প্রতি আস্থা রেখে আরও বলেন,
وَيَمْكُرُونَ وَيَمْكُرُ اللَّهُ وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ
“আর তারা চক্রান্ত করে এবং আল্লাহও চক্রান্ত (পরিকল্পনা) করেন, আর আল্লাহ হলেন শ্রেষ্ঠ চক্রান্তকারী (পরিকল্পনাকারী)।” - [সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৩০)
এছাড়াও, তিনি ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনী (রহ.)-এর একটি উক্তি স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে ইমাম বলেছিলেন, “চিন্তিত হইও না... আমাদের পতাকা ততক্ষণ পর্যন্ত অবনত হবে না যতক্ষণ না এর প্রকৃত মালিক صَاحِبُ الْأَمْرِ [ইমাম মাহদী (আ.ফা.)] এটি গ্রহণ করবেন।”
আয়াতুল্লাহ মুসাভী দাবি করেন যে, এই বিজয় শুধু ইরানের জন্য নয়, বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি বিজয়। তাঁর মতে, মহান আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর নেতৃত্বে ইসলামী প্রজাতন্ত্র যুগের ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত তার পথ অব্যাহত রাখবে এবং সকল চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দেবে।
বিবৃতিটি পবিত্র নাজাফ শহরে, আমিরুল মুমিনীন আলী (আ.)-এর পবিত্র মাজারের সান্নিধ্য থেকে জারি করা হয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে।
আপনার কমেন্ট