হাওজা নিউজ এজেন্সি: নাজাফ উলামা পরিষদের ওই সংহতির বিবৃতিটি নিম্নরূপ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
وَلَقَدْ کَتَبْنَا فِی الزَّبُورِ مِن بَعْدِ الذِّکْرِ أَنَّ الْأَرْضَ یَرِثُهَا عِبَادِیَ الصَّالِحُونَ) (الأنبیاء
“আর যবুরে উপদেশের পর একথা লিখে দিয়েছি যে আমার যমিনের উত্তরাধিকারী হবে আমার নেক বান্দারা।” (আল-আম্বিয়া: ১০৫)
ঐতিহাসিক এই মুহূর্তগুলোতে, যখন সত্য এবং বিশ্ব বলদর্পি ফ্রন্টের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্রতর হয়েছে, যখন শত্রুরা জাতিগুলোকে “আনুগত্য” এবং “অপমান”-এর মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার কথা বলছে, তখন “অপমান আমাদের থেকে অনেক দূরে” অবস্থান করছে। নাজাফ ওলামা পরিষদ ‘অন্য জাতি’ এবং সম্মান ও মর্যাদার সাথে দাঁড়িয়ে থাকা সকলের সাথে আমাদের অভিভাবক ও নেতা, হযরত আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) এর বিজ্ঞ নেতৃত্বে পরিচালিত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সাথে আমাদের অঙ্গিকার নবায়নের ঘোষণা দিচ্ছি।
যদিও এই সমাবেশ এমন সময় “ইসলামি আইনভিত্তিক রাষ্ট্র”-র সাথে সংহতি ঘোষণা করছে, যখন তারা এই সিদ্ধান্ত কোনও ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক অবস্থান থেকে নেয় নি বরং গভীর বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত একটি ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা থেকে নিয়েছে। যাদের এমন একটি বিশ্বাস রয়েছে যে এই রাষ্ট্র শিয়া ধর্ম এবং মুসলমানদের আশ্রয়স্থল।
পবিত্র বর্ণনায় যেমনটি বলা হয়েছে: “কোম হল আহলে বাইতের (আ.) নীড় এবং আমাদের শিয়াদের আশ্রয়স্থল,” এবং এই রাষ্ট্র হল ইমাম মাহদী (আ.ফা.)'র পবিত্র কাফেলার ভিত তৈরির কারিগর।
নিঃসন্দেহে, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের যেকোনো লক্ষ্যবস্তু করা- নরম যুদ্ধের মাধ্যমে হোক কিংবা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে— আসলে তাঁবুর স্তম্ভ এবং বিশ্বের সমস্ত মুক্ত মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করার শামিল। আমরা ইরান এবং তার মর্যাদার প্রতি আমাদের অবস্থান ঘোষণা করার করছি, আমরা আমাদের সমস্ত বস্তুগত এবং আধ্যাত্মিক ক্ষমতা রাহবারের পতাকাতলে সঁপে দিচ্ছি, যিনি আমাদের কাছে “এই যুগের হুসেইন” হিসাবে পরিগণিত।
আমরা ইরানের নেতৃত্ব এবং জনগণকে এই কিংবদন্তিতুল্য দৃঢ়তার জন্য আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই, যা দিনে দিনে প্রমাণ করছে যে “ঐশি অনুগ্রহ” যুদ্ধক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেহেতু নির্যাতিতদের ইচ্ছাই শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করবে, সুতরাং আমরা তাদের অভিনন্দন জানাই।
আমরা আবারও সতর্ক ও জাগ্রত থাকার ব্যাপারে আমাদের দৃঢ় সংকল্পের ওপর জোর দিচ্ছি, এবং “মিডিয়া বিষ” সম্পর্কে সতর্ক করছি যারা শাসন কেন্দ্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে এবং অন্তর্দৃষ্টি দুর্বল করতে চায়। আমরা নিশ্চিত যে সর্বশক্তিমান আল্লাহর অনুগ্রহে শত্রুদের গলায় তীর ছাড়া আর কিছুই থাকবে না।
ইরান সর্বদা মাথা উঁচু করে থাকবে, এবং সর্বোচ্চ নেতা রাষ্ট্রদ্রোহের অন্ধকারে আমাদের পথ দেখানোর একটি আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবেন, এবং চাপ কেবল “আল্লাহর দৃঢ় রজ্জু”-তে আমাদের আঁকড়ে ধরার ঐক্য বৃদ্ধি করবে।
إنَّ اللهَ یُدَافِعُ عَنِ الَّذِینَ آمَنُوا
“প্রকৃতপক্ষে, আল্লাহ তাদের রক্ষা করেন যারা ঈমান এনেছে।”
আপনার কমেন্ট