হাওজা নিউজ এজেন্সি: হুজ্জাতুল ইসলাম রাজাভী বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী শুধু ইরানের জনগণের নেতা নন; বরং তিনি সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য একজন যোগ্য ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের প্রতীক। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের মজলুম ও বঞ্চিত মানুষের প্রকৃত আশ্রয়স্থল এবং সর্বত্র নিপীড়িতদের অধিকার রক্ষার এক দৃঢ় কণ্ঠস্বর।
তিনি আরও বলেন, আমি আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি—তিনি যেন সর্বোচ্চ নেতাকে তাঁর বিশেষ হেফাজত ও সহায়তায় রাখেন। তিনি একজন সাহসী ও নির্ভীক সিংহের মতো, যিনি বিস্ফোরণ ও হুমকিকে ভয় করেন না। এ কারণেই শত্রুদের কোনো হুমকিই তাঁকে ভীত বা বিচলিত করতে পারে না।
অস্ট্রেলিয়ার শিয়া উলামা পরিষদের সভাপতি বলেন, শত্রু ও জালিমরা একটি মৌলিক সত্য ভুলে গেছে—সিংহ আহত হলে আরও বেশি শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। শহীদদের পবিত্র রক্ত ইরানের জনগণকে দুর্বল করেনি; বরং তা তাদের শক্তি, প্রতিরোধের মনোবল ও দৃঢ় সংকল্প আরও সুদৃঢ় করেছে।
তিনি বর্তমান যুগে আয়াতুল্লাহ আল-উযমা খামেনেয়ীর নেতৃত্বকে সাহস, অবিচলতা, বিজয় এবং আল্লাহর সাহায্যের বাস্তব প্রতিচ্ছবি হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ইরানে বিমানবন্দর, বিমান চলাচল, রেলপথ, ট্রেন স্টেশন, দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও বাজার—সবকিছুই স্বাভাবিক ও সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। দুঃখজনকভাবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এসব বাস্তবতার প্রতি চোখ বন্ধ করে রেখেছে। তারা যদি ইরানে এসে বাস্তব অবস্থা প্রত্যক্ষ করত, তবে সত্য নিজের চোখে দেখত এবং কানে শুনত।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আজ সময় এসেছে গণমাধ্যমগুলোর নিজেদের পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতা ও মর্যাদা পুনর্গঠনের। কারণ বিশ্বজুড়ে নৈতিক অবক্ষয় ও দুর্নীতির বিস্তারের পেছনে অনেকাংশে দায়িত্বহীন ও নীতিহীন গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।
আপনার কমেন্ট