হাওজা নিউজ এজেন্সি: বৈরুতে আল-হাদাথ এলাকায় অবস্থিত লেবানন মেডিকেল সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে লেবাননের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিকিৎসা অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আল-মানার-এর বরাতে জানা যায়, শেখ কাসেম বলেন, “এই মেডিকেল সেন্টারটি হিজবুল্লাহর দীর্ঘদিনের নীতির অংশ, যার লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।”
তিনি বলেন, “লেবানন মেডিকেল সেন্টার–হাদাথ জনগণের চাহিদা পূরণে চলমান প্রকল্পগুলোর একটি। স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সহায়তা, আশ্রয়, পুনর্গঠন কিংবা অন্য যেকোনো কর্মকাণ্ডে আমাদের সম্পৃক্ততা কেবল জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধ থেকেই আসে।”
হিজবুল্লাহর মহাসচিব আরও বলেন, “আমরা ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে জনগণের সেবা করি। স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ আমাদের সমাজের সহনশীলতা, জনগণের মর্যাদা এবং মানবিক সম্মান রক্ষার প্রতিশ্রুতিরই অংশ।”
তিনি অভিযোগ করেন, “ইসরায়েলি আগ্রাসন লেবাননের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও জনসংখ্যাগত সক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”
শেখ কাসেম বলেন, “শক্তি, দৃঢ়তা ও অসংখ্য আত্মত্যাগের মাধ্যমে ইসরায়েলি শত্রুকে লেবানন থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। প্রতিরোধ আন্দোলন ও তার জনগণ—মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে—গত ৪২ বছর ধরে লেবাননের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে।”
তিনি দাবি করেন, “১৯৮২ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইসরায়েল লেবাননে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত পরাজিত অবস্থায় সরে যেতে বাধ্য হয়। ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিরোধের কারণে তারা নিরস্ত ও নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল।”
ভাষণের শেষদিকে তিনি বলেন, “লেবাননের প্রেসিডেন্টের ওপর চাপ কখনোই বন্ধ হয়নি। পরাশক্তি দেশ ও কিছু আরব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাকে এমন পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় এবং প্রতিরোধ আন্দোলন ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা।”
আপনার কমেন্ট