হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, মিথ্যুক মিথ্যাবাদী ফাসিক বিবি ছি!র (বিবিসি পার্সিয়ান) সংবাদ জালিয়াতি:
"১৯৭৯ সালের বিপ্লববার্ষিকীর প্রাক্কালে ( ১০-২-২০২৬ রাতে) তেহরান ও ইরানের কিছু কিছু শহরে ইরানের ইসলামী সরকার বিরোধী শ্লোগান দেওয়া হয়।" ---- বিবি ছি! (বিবিসি ২৩:২৩,১০-২-২০২৬)
আসল খবর হলো: প্রতিবছর ১১ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বিজয় দিবসের আগের রাতে (১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে) নয়টার সময় সারা ইরান জুড়ে ঘরে ঘরে আল্লাহু আকবার তাকবীর দেওয়া হয় যা আজ (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতেও (৯ টার সময়) দেওয়া হয়েছে সমগ্র ইরান জুড়ে ইরানের ইসলামী বিপ্লব ও প্রজাতন্ত্রের সমর্থন ও স্মরণে। অথচ চরম মিথ্যুক ও মিথ্যাবাদী ফাসিক বিবি ছি! (বিবিসি) ইরান সংক্রান্ত এ তথ্য ও সংবাদ বিকৃত করে প্রচার করেছে।
বিবি ছি! (বিবিসি) ও অন্য সকল মিথ্যাবাদী মিথ্যুক পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম সমূহকে ভালো ভাবে চিনুন ও জানুন।বিবি ছি! (বিবিসি) পবিত্র কুরআনের এ আয়াত:" হে ঈমানদারগণ!যদি তোমাদের কাছে কোনো ফাসিক (মিথ্যাবাদী মিথ্যুক) কোনো খবর (সংবাদ ও তথ্য) নিয়ে আসে তাহলে তাবাইয়ুন (সেই তথ্য ও খবরের সত্যতা) যাচাই করো তোমরা; (কারণ, তা না করলে) অজ্ঞতা বশতঃ (সঠিক তথ্য ও জ্ঞানের অভাবে আক্রমণের ভুল সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণ করে) তোমরা কোনো কওম (সম্প্রদায়)কে আক্রমণ করে বসতে পারো;অত:পর যে কাজ তোমরা (অজ্ঞতা বশতঃ ফাসিক ব্যক্তির আনিত সংবাদের ভিত্তিতে) করে ফেলেছে তার জন্য (তখন) তোমাদের অনুতপ্ত হতে হবে (সূরা-ই হুজুরাত ৪৯:৬)।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوا أَنْ تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُوا عَلَىٰ مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ
আর নি: সন্দেহে বিবি ছি! (বিবিসি) ও সকল পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম এবং ভার্চুয়াল ও সামাজিক মাধ্যমসমূহ (ফেস বুক,টুইটার, ইনস্টাগ্রাম,টেলিগ্রাম, ইউটিউব ইত্যাদি) হচ্ছে পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত ফাসিক (করাপ্ট মিথ্যুক মিথ্যাবাদী) সংবাদ আনয়নকারী ও মিথ্যাবাদী সংবাদ দাতার বাস্তব নমুনা। অনেকে বলতে পারে যে পবিত্র কুরআনের উক্ত আয়াতে কেবল ফাসিক ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে এবং ফাসিক সংবাদ সংস্থার কথা বলা হয় নি। তাহলে এ ক্ষেত্রে বলতে হয় যে উক্ত ফাসিক শব্দটি মুতলাক (নিরঙ্কুশ) যা মিথ্যাবাদী ব্যক্তি এবং হাল যমানার সকল ফাসিক (মিথ্যাবাদী) সংবাদ প্রচারকারী সংস্থা সমূহ যারা বহু ক্ষেত্রে মিথ্যা খবর অথবা সত্যমিথ্যা মিশ্রিত বিকৃত খবর ও তথ্য প্রচার করে যেমন:বিবি ছি! সেগুলোকে শামিল করে।
(আজ বিবি ছি! / বিবিসি ইরান সংক্রান্ত উক্ত খবরটা তথ্য বিকৃতি ও মিথ্যার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে প্রচার করেছে!!!!!) এবং বর্তমান কালের সংবাদ সংস্থা ও মিডিয়াম সমূহ তো আসলে ব্যক্তি সংবাদ দাতা ও সাংবাদিকদের সমষ্টি।আর বিবি ছি!র (বিবিসি) সংবাদ দাতা ও সাংবাদিকদের অধিকাংশই মিথ্যুক মিথ্যাবাদী ফাসিক এবং গোটা বিবি ছি! (বিবিসি) কর্তৃপক্ষের নীতি ও লক্ষ্যই হচ্ছে যালিম ব্রিটিশ ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পক্ষে এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রতিরোধ কারী দেশ,দল ও আন্দোলন সমূহ যেমন: ইরান, হিযবুল্লাহ, হামাস ইত্যাদির বিপক্ষে ও বিরুদ্ধে খবর,সংবাদ ও তথ্য বিকৃত করে সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ ঘটিয়ে প্রচার করা। সুতরাং নি: সন্দেহে বিবি ছি! (বিবিসি) এবং যাবতীয় পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম সমূহ এ কারণেই পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত ফাসিক সংবাদ দাতা ও খবর আনয়ানকারীর আধুনিক বাস্তব নমুনা (মিসদাক) যাদের পরিবেশিত তথ্য ও সংবাদের (খবর) সত্যতা অবশ্যই যাচাই করা ওয়াজিব (অবশ্য কর্তব্য)।
ইসলামি চিন্তাবিদ গবেষক ও লেখক মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান
আপনার কমেন্ট