হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে কোম শহরে সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি কার্যালয়ে বাংলাদেশি তালাবাদের একদল শিক্ষার্থীর আধ্যাত্মিক পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে, বহু বছর হাওজার উস্তাদদের সান্নিধ্যে অধ্যয়নের পর আটজন বাংলাদেশি তালাবা হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন আলিজাদে মুসাভী—সর্বোচ্চ নেতার দপ্তরের প্রতিনিধি—এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র রুহানিয়াতের পোশাক পরিধান করেন এবং দীন প্রচার ও ধর্মীয় সেবার অঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করেন।
কুরআন অবতীর্ণের মাস ও আধ্যাত্মিক বসন্তের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠান ছিল গভীর ধর্মীয় আবেগ ও উৎসাহে ভরপুর। এতে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা প্রদান এবং ইসলামী শিক্ষার ব্যাখ্যায় তালাবাদের গুরুদায়িত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন আলিজাদে মুসাভী নবপোশাকধারী তালাবাদের অভিনন্দন জানিয়ে রুহানিয়াতের পোশাকের মর্যাদা ও পবিত্রতা তুলে ধরেন।
তিনি একে “মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পোশাক” হিসেবে উল্লেখ করেন, যা ইসলামী সমাজকে পথনির্দেশ দেওয়ার এক গুরুদায়িত্ব বহন করে।
তিনি তালাবা জীবনের উচ্চ মর্যাদা রক্ষা, কর্মে ইখলাস, সরল জীবনযাপন এবং মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখাকে এ নূরানী পথের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি তালাবাদের বিশেষত পবিত্র রমজান মাসে দ্বীনের শিক্ষার প্রচারে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান জানান।
সর্বোচ্চ নেতার দপ্তরের প্রতিনিধি আরও বলেন, ‘জিহাদে তাবিয়িন’ বাস্তবায়ন, আকিদাগত সন্দেহ-সংশয়ের জবাব প্রদান এবং ইসলামী সমাজসমূহের ধর্মীয় পরিচয় শক্তিশালীকরণে তালাবাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিবর্তনীয়।
তিনি দ্বীনি দাওয়াহ ও প্রচারমূলক সেবাকে একটি ঐশী ও সভ্যতাগত দায়িত্ব হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যা মানবসমাজের উন্নতির পথ সুগম করতে পারে।
উল্লেখ্য, এই আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে কোমে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা উচ্ছ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন এবং নবপোশাকধারী তালাবাদের ইসলাম ও মুসলমানদের খেদমতে সফলতার জন্য দোয়া করেন।
আপনার কমেন্ট