হাওজা নিউজ এজেন্সি: আরাক শহরের মসজিদ ইমাম হুসাইন-এ জোহরের নামাজের পর দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, রমজান আল্লাহর বিশেষ দাওয়াত। এ মহান মেহমানিতে নবী-রাসূল, অলী-আউলিয়া ও নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাগণের আধ্যাত্মিক উপস্থিতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রমজান এমন এক মাস, যখন রহমত বর্ষিত হয় এবং বান্দার জন্য তাওবা ও আত্মসংশোধনের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে। অতএব, এ মাসকে যথাযথভাবে গ্রহণ করতে হলে আমাদের জিহ্বাকে মিথ্যা ও গীবত থেকে, দৃষ্টিকে অশোভন বিষয় থেকে এবং অন্তরকে হিংসা, বিদ্বেষ ও কুমন্ত্রণার মতো ব্যাধি থেকে সংযত রাখতে হবে।
মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণীর আলোকে তিনি বলেন, মানুষের প্রতিটি আমলের মূল্য তার নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। নামাজ, রোজা কিংবা অন্যান্য ইবাদত—সবই তখন প্রকৃত মর্যাদা লাভ করে, যখন তা একান্তভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হয়।
আয়াতুল্লাহ দার্রি নাজাফাবাদি হৃদয়কে কামনা-বাসনা ও নফসের প্ররোচনা থেকে পরিশুদ্ধ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, যেমন মসজিদকে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন রাখা অপরিহার্য, তেমনি মানুষের অন্তরও হতে হবে নির্মল ও কলুষমুক্ত—যাতে সে পবিত্র রমজানকে যথাযথ সম্মান ও সচেতনতার সঙ্গে বরণ করতে পারে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি একটি প্রাচীন ইসলামী ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, সৎকর্ম নিজ হাতে ও আন্তরিক নিয়তে সম্পাদন করাই উত্তম। কারণ, নিজে সম্পাদিত নেক আমলের সওয়াব ও প্রভাব অন্যের মাধ্যমে সম্পাদিত একই কাজের তুলনায় অধিক ফলপ্রসূ ও স্থায়ী।
আপনার কমেন্ট