হাওজা নিউজ এজেন্সি: অনুষ্ঠানটি ১৭ এপ্রিল সকাল ১০টায় মীরপুর মাজার রোডস্থ লালকুঠি দরবার শরীফ পাঠাগার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক এবং লালকুঠি দরবার শরীফের গদিনশিন পীর ড. মাওলানা আহসানুল হাদী। প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ ইরান কালচারাল সেন্টারের কালচারাল কাউন্সিলর সাইয়েদ রেজা মীর মোহাম্মদী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আকড়ে ধরো, কখনো বিচ্ছিন্ন হয়ো না… আল্লাহ বলেন, আমি তোমাদের প্রভু, একমাত্র আমার ইবাদত করো। আমরা যারা মহানবী (সা.)–এর উম্মত, তাদের নির্দেশনা হলো ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম করা। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা–ইসরাইলের এই লড়াই হলো ইসলাম ও কুফরের, হক ও বাতিলের যুদ্ধ।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান বলেন, “মুসলমানদের বিভেদে জর্জরিত করে রেখেছে কিছু স্বার্থান্বেষী শক্তি, কিন্তু নতুন প্রজন্ম এখন সচেতন। তারা বোঝে কারা ফিলিস্তিনের পক্ষে, কারা বিপক্ষে।”
বিশিষ্ট গবেষক মোহাম্মদ আবদুল হাই বলেন, “বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নে ইরান অগ্রণী অবস্থানে। একটি শিক্ষিত ও ঈমানদার জাতিকে পরাস্ত করা যায় না।”
আল কুদস কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল মোস্তফা তারেকুল হাসান বলেন, “রাহবার খামেনেয়ী (রহ.) বলেছিলেন, আমার শরীরের কোনো মূল্য নেই; আমি না থাকলেও তরুণ প্রজন্মই ইসলামী বিপ্লবকে এগিয়ে নেবে।”
এছাড়া ড. আনোয়ারুল কবীর, শাইখ উছমান গনী, কবি শাহ সিদ্দিক, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকসহ বক্তারা বলেন—ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের মূলে রয়েছে কুফরি শক্তি, আর মুসলমানদের উচিত হকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকা।

কবিতা পাঠ ও সংগীত পরিবেশন করেন কবি আমিন আল আসাদ, কবি নূরুল মনির, কবি জাকির হোসেন খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, প্রতিরোধ সংগ্রাম ও বিশ্বশান্তির আহ্বান জানান।
আপনার কমেন্ট