হাওজা নিউজ এজেন্সি: রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন,
مَنْ أَتَى الْجُمُعَةَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا اسْتَأْنَفَ الْعَمَلَ
যে ব্যক্তি ঈমান ও আল্লাহর নিকট সওয়াবের প্রত্যাশা নিয়ে জুমার নামাজে উপস্থিত হয়, সে যেন নতুন করে তার আমল শুরু করে।
[মান লা ইয়াহদুরুহুল ফকীহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৪২৭, হাদীস নং ১২৬০]
হাদীসের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
এ হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) জুমার নামাজের মহান মর্যাদা ও ফযিলতের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। যে ব্যক্তি আন্তরিক ঈমান, একনিষ্ঠ নিয়ত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সওয়াবের প্রত্যাশা নিয়ে জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করে, আল্লাহ তাআলা তাকে বিশেষ অনুগ্রহে ধন্য করেন। হাদীসের “সে যেন নতুন করে তার আমল শুরু করে” বাক্যটির ব্যাখ্যায় আলেমগণ উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে তাকে নতুন উদ্যমে নেক আমলের জীবন শুরু করার তাওফিক দান করেন। তবে এটি হাদীসের ব্যাখ্যামূলক অর্থ; হাদীসের আক্ষরিক অনুবাদ নয়।
শর্ত:
১. ঈমানের সাথে জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করা।
২. আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সওয়াবের প্রত্যাশায় খালেস নিয়ত রাখা।
৩. লোক দেখানো, সামাজিক মর্যাদা অর্জন বা কেবল প্রথা পালনের উদ্দেশ্যে না যাওয়া।
শিক্ষা:
জুমার নামাজ শুধু একটি সাপ্তাহিক ইবাদত নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং নেক আমলে নবযাত্রার এক মূল্যবান সুযোগ। তাই আমাদের উচিত জুমার দিনের আদবসমূহ পালন করা, সময়মতো মসজিদে উপস্থিত হওয়া এবং পূর্ণ খুশু-খুযুর সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে জুমার প্রকৃত ফযিলত অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমীন।
আপনার কমেন্ট