মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ - ১২:১১
অফিস-আদালতে শোকানুষ্ঠান পালনের বিধান

অফিস সময়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের ক্ষেত্রে কর্মচারীদের ধর্মীয় চর্চা এবং সেবাগ্রহীতাদের অধিকার—উভয় বিষয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে? এ বিষয়ে উত্থাপিত এক ইস্তিফতার জবাব দিয়েছেন হযরত আয়াতুল্লাহ শহীদ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)। প্রশ্নোত্তরে তিনি ধর্মীয় আচার পালনের বৈধতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার ও প্রচলিত বিধি-বিধান মেনে চলার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অফিস-আদালতে শোকানুষ্ঠান পালনের বিধান’ শীর্ষক এক ইস্তিফতার জবাব দিয়েছেন হযরত আয়াতুল্লাহ শহীদ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)। আগ্রহী পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো:

প্রশ্ন: অফিস সময়ে কর্মচারীদের জন্য জামাতে নামাজ এবং অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যেমন জিয়ারতে আশুরা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণ করা কি শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো অসুবিধার কারণ? আর এসব অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের জন্য যদি প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তহবিল ব্যবহার করা হয়, তবে তা কি বৈধ হবে?

এছাড়া, যদি এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ফলে সেবাগ্রহীতাদের কাজ বিলম্বিত হয় এবং তাদের সময় নষ্ট হয়, তাহলে এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান কী?

উত্তর: যদি এর ফলে সেবাগ্রহীতাদের অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, তবে এতে কোনো অসুবিধা নেই। আর এ বিষয়ে যদি কোনো বিধি-বিধান বিদ্যমান থাকে, তাহলে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এমনভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে জিয়ারতে আশুরা পাঠ সেবাগ্রহীতাদের কাজ বিলম্বিত করার অজুহাত বা মাধ্যম হয়ে না দাঁড়ায়।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha