হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের কৌশলগত সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে ওই বিশ্লেষক বলেন, ইরান বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতাসম্পন্ন একটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এমন একটি সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে বিজয় অর্জন করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, এটি ইরান, স্পেন নয়। সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইরানকে পরাজিত করা সম্ভব নয়। পেন্টাগনও খুব ভালোভাবেই জানে যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জয়লাভ করা প্রায় অসম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল, সৌদি আরবের তেলসমৃদ্ধ এলাকা, কুয়েত ও বাহরাইনে শিয়া জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। ফলে ইরানের সঙ্গে বৃহৎ পরিসরের সংঘাত শুরু হলে তা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা ও সংঘাতের সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি মন্তব্য করেন, মার্কিন জেনারেলরা আত্মঘাতী নন। তারা ভালো করেই জানেন যে, এমন যুদ্ধে নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয় এবং তারা বহুবার এর সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
ওই বিশ্লেষক আরও বলেন, ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন। তাঁর ভাষায়, ট্রাম্পও এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন প্রায় অসম্ভব।
তিনি কিছু মার্কিন বিশ্লেষণের সমালোচনা করে বলেন, মার্কিন বিশেষজ্ঞরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতা সম্পর্কে তাদের সুস্পষ্ট ধারণা নেই। তারা মনে করেন, অর্থনৈতিক সংকট শেষ পর্যন্ত ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে; কিন্তু বাস্তবে তাদের এই মূল্যায়ন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সবশেষে তিনি বলেন, আজও ইরানের সরকার দৃঢ় ও স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা কোনো শক্তিই এটিকে হুমকির মুখে ফেলতে পারবে না। এমনকি জনগণ আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও এই শাসনব্যবস্থা টিকে থাকবে।
আপনার কমেন্ট