হাওজা নিউজ এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিশেষজ্ঞ সভাটি ছিল ভারতের জনমত ও গণমাধ্যমে আমেরিকার অপরাধের ফাইল উন্মুক্ত রাখার জন্য তৃতীয় আইনগত অনুষ্ঠান। এটি ইরানের বিচার বিভাগের উকিল, সরকারি বিশেষজ্ঞ ও পরিবার পরামর্শক কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধিদলের দিল্লিতে ব্রিকস আইনগত ফোরামে অংশগ্রহণের উপলক্ষ্যে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়।
ইরানি আইনজীবী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন হাসান আব্দুলিয়ানপুর, যিনি উকিল কেন্দ্রের (মারকাজ-ই-ভোকালা) প্রধান। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রের নারী ও পরিবার বিষয়ক উপ-প্রধান সারা শিরাজি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-প্রধান মুর্তজা আব্দি, মোহাম্মদ মাসউদ ইউসুফি, দাউদ করামি, মোহাম্মদ হাসান কারামজাদেহ, মোহাম্মদ রেজা হোসাইনিয়ান এবং মোহাম্মদ সাদিক হাশেমি শাহরুদি।
এই বিশেষজ্ঞ সভাটি, যা ভারতের সুপ্রিম কোর্টের উকিল সমিতির আতিথেয়তায় ব্রিকস আইনগত সম্মেলনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত হয়, আমাদের দেশের দিল্লিতে সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা ফরিদুদ্দিন ফরিদআসরের বক্তৃতার মাধ্যমে শুরু হয়।
ফরিদআসর তাঁর বক্তব্যে আমেরিকার অপরাধ সম্পর্কে আইনগত বিষয়সমূহ উত্থাপনের গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলেন এবং এই জাতীয় সভাগুলোর কার্যকারিতাকে কেবল একটি প্রদর্শনীমূলক পদক্ষেপ বা ন্যূনতম সুবিধাসম্পন্ন কাজ নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনজীবীদের সহযোগিতার মাধ্যমে অপরাধীদের আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহি করার জন্য একটি আইনগত পথে অগ্রসর হওয়া বলে বর্ণনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন: বিচার বিভাগীয় আদালতগুলো অপরাধীদের মোকাবিলায় দ্বৈত মানদণ্ডে আক্রান্ত। তারা ব্যক্তিগত ও সীমিত অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধীদের সাথে দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করে, কিন্তু যারা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং শত শত ও হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ হত্যার মতো আন্তর্জাতিক অপরাধে জড়িত, তাদের শনাক্তকরণ ও বিচারের ক্ষেত্রে তারা সাবধানতা, সতর্কতা ও ভীতির সাথে মোকাবিলা করে।
আপনার কমেন্ট