হাওজা নিউজ এজেন্সি: শনিবার রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিলুয়ানভ বলেন, ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের অ্যাশভিলে অনুষ্ঠিত জি-২০ বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধের বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সংঘাত দ্রুত নিরসনের পক্ষেও সমর্থন জানানো হয়।
বৈঠকে ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিলুয়ানভ বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিস্থিতি নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার অংশ হিসেবে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছিল। পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্যোগেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল সরবরাহের পরিমাণ এবং জ্বালানির দাম নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।”
সিলুয়ানভ জানান, বৈঠকে জ্বালানি সম্পদের প্রাপ্যতা এবং সার সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সার উৎপাদন জ্বালানি সরবরাহের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
তিনি আরও বলেন, “আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য সরবরাহে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি জাতীয় বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। তাই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা এই যুদ্ধের দ্রুত অবসানের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন।”
এদিকে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সিলুয়ানভ।
তিনি বলেন, “এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়গুলোকে বাদ দেয় না। তাই যেখানে পারস্পরিক স্বার্থ রয়েছে, সেখানে আমাদের সমাধান খুঁজে বের করা এবং সহযোগিতা বাড়ানো উচিত।”
আপনার কমেন্ট