হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, বৈঠকে গা-ইস্টের মেয়র পল ব্রাইট মিনতাহ, সাংস্কৃতিক পরিচালক নি আনক্রাহ এবং সিটি কাউন্সিলের কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ঘানার গা-ইস্ট সিটি কাউন্সিলের সদস্যরা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাংস্কৃতিক পরামর্শক কার্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও কর্মসূচির প্রশংসা করেন। বিশেষ করে সফলভাবে আয়োজিত ‘শিরাজ দিবস’ কর্মসূচির প্রশংসা করে তাঁরা বলেন, এসব উদ্যোগ ইরানের সংস্কৃতি, শিল্প ও সভ্যতা পরিচিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
তাঁরা সাংস্কৃতিক পরামর্শক কার্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা এবং যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কথাও জানান।
ঘানায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাংস্কৃতিক পরামর্শক আমির হেশমতি দুই দেশের নগর প্রশাসনগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি সাংস্কৃতিক, শিল্প ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইরানের পৌরসভাগুলোর অভিজ্ঞতাকে মূল্যবান এবং ঘানার পক্ষের কাছে উপস্থাপনযোগ্য বলে অভিহিত করেন।
তিনি পৌরসভাগুলোকে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে ইরান ও ঘানার পৌরসভাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা নিয়মিত ও বাস্তবভিত্তিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।
এরপর গা-ইস্ট সিটি কাউন্সিলের সদস্যরা বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণের প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে এই দৃঢ় অবস্থানকে প্রশংসার যোগ্য বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তাঁরা ইরানের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
বৈঠকে ইরানের জনসংখ্যাগত, ভৌগোলিক, বৈজ্ঞানিক, সাংস্কৃতিক ও শিল্প-সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতির প্রশংসা করে উপস্থিত ব্যক্তিরা পারস্পরিক পরিচিতি ও বোঝাপড়া আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকের শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ইরানের কোনো একটি পৌরসভা এবং গা-ইস্ট পৌরসভার মধ্যে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক আয়োজন করা হবে এবং এর মাধ্যমে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্র তৈরি করা হবে।
এছাড়া গা-ইস্ট অঞ্চলের দুটি স্কুলে ইরান-পরিচিতিমূলক (ইরানবিদ্যা) কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
আপনার কমেন্ট