মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৪:২৩
যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করছে ইউক্রেন

ইউক্রেনের যুদ্ধব্যয় মোকাবিলায় পর্নোগ্রাফি বৈধ করার উদ্যোগ নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের দৃষ্টিতে, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও বস্তুগত লাভের জন্য এমন একটি বিষয়কে বৈধতার আওতায় আনা ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সামাজিক শালীনতা ও মানবিক বিবেকের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁদের মতে, যুদ্ধের মতো সংকট মোকাবিলায় অর্থসংস্থানের জন্য পর্নোগ্রাফিকে বৈধতা দেওয়া কোনোভাবেই নৈতিক ও আদর্শিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, এটাই হচ্ছে ইউরোপ ও পশ্চিমাদের অর্থাৎ পাশ্চাত্যের আসল বৈশিষ্ট্য, স্বরূপ ও চেহারা।

অবৈধ যৌনতা এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। আর নি:সন্দেহে পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অবৈধ যৌনতার প্রসার ও সয়লাব হয়েছে এবং হচ্ছে ইউরোপীয় ও পশ্চিমা সমাজে।

ইউক্রেন যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ করছে যা ধর্ম, বুদ্ধিবৃত্তি,বিবেক ও নীতি নৈতিকতার দৃষ্টিতে হারাম ও অবৈধ।

কিন্তু বস্তু গত লাভ ক্ষতির ভিত্তিতে পশ্চিমারা ইউরোপীয়রা (পাশ্চাত্য) বৈধ ও অবৈধ (হালাল ও হারাম) নির্ধারণ করে যা ধর্ম, নীতি নৈতিকতা, বিবেক, বুদ্ধিবৃত্তি এবং বিশ্বের জ্ঞানীবিবেকবানদের (উকালাউল আলম عقلاء العالم) দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুচিত।এরা (পশ্চিমারা/পাশ্চাত্য) গায়ের জোরে ও বাহুবলে  সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ভাবে নিজেদের হীন নীচ অবৈধ স্বার্থ চারিতার্থ করার জন্য হালাল-হারাম (حلال و حرام বৈধ-অবৈধ) নির্ধারণ করে।

যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করছে ইউক্রেন

তাই ইসলাম, নীতি-নৈতিকতা, বিবেক ও যুক্তি-বুদ্ধির আলোকে পশ্চিমাদের (ইউরোপীয়দের /পাশ্চাত্যের) এ সব কাজ খুবই কুৎসিত (قبیح ক্বাবীহ্) ও নিতান্তই মন্দ (شر), অশোভন এবং এ কারণে এ সব কার্যকলাপ মোটেও সমর্থনযোগ্য ও প্রশংসনীয় নয়।

আসলেই ইউরোপীয়রা পশ্চিমারা (পাশ্চাত্য) মাল'ঊন্ (ملعون অভিশপ্ত)। এদের কোনো মনুষ্যত্ব বোধ (ইনসানিয়াত), ইনসাফ ও আত্মসম্মানবোধ (গাইরত) নেই।

ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha