শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৭:২৪
কোমের স্থাপত্যে ফুটে উঠতে হবে এর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয়

ইরানের ধর্মীয় নগরী কোমের উন্নয়ন শুধু সাধারণ নগরায়ণ পরিকল্পনার ভিত্তিতে হওয়া উচিত নয়; বরং এ শহরের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং জনগণের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এর স্থাপত্য, নগর-সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে হবে দেশটির জনপ্রিয় আলেম ও বক্তা হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন ড. নাসের রাফিয়ি।

হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন নাসের রাফিয়ি কোমের ইসলামি নগর পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যদিও কিছু নীতি ও বিধিবিধান সারা দেশে অভিন্ন হওয়া প্রয়োজন, তবে কুম ও মাশহাদের মতো শহরগুলোর ধর্মীয় ও জিয়ারতি গুরুত্বের কারণে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। স্থাপত্য, নগরায়ণ এবং এমনকি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়েও এসব স্বাতন্ত্র্যকে বিবেচনায় নিতে হবে।

হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন রাফিয়ি বলেন, বিভিন্ন বর্ণনায় কুমের মানুষকে নজীব ও ভদ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই শহরের সাংস্কৃতিক ও নগর পরিকল্পনায় এ বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং কুমের স্বাতন্ত্র্য ও মর্যাদা সংরক্ষণ করতে হবে।

কোমের পর্যটন সম্ভাবনার পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবন জরুরি
কোমের বিভিন্ন নগর ও পর্যটন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াদিউস সালাম কবরস্থান এবং শহরের কিছু পরিত্যক্ত আবাসিক ও পর্যটনকেন্দ্রিক স্থাপনা ও কমপ্লেক্সের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও পুনরুজ্জীবন প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এসব স্থান পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।

হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন রাফিয়ি আরও বলেন, হযরত ফাতিমা মাসুমা (সা.আ.)-এর পবিত্র মাজার, পবিত্র জামকারান মসজিদ, হাওজায়ে ইলমিয়া এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও সম্ভাবনার কারণে কোম একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ শহর। তাই এ শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনা অবশ্যই এর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha