হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন নাসের রাফিয়ি কোমের ইসলামি নগর পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যদিও কিছু নীতি ও বিধিবিধান সারা দেশে অভিন্ন হওয়া প্রয়োজন, তবে কুম ও মাশহাদের মতো শহরগুলোর ধর্মীয় ও জিয়ারতি গুরুত্বের কারণে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। স্থাপত্য, নগরায়ণ এবং এমনকি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়েও এসব স্বাতন্ত্র্যকে বিবেচনায় নিতে হবে।
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন রাফিয়ি বলেন, বিভিন্ন বর্ণনায় কুমের মানুষকে নজীব ও ভদ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই শহরের সাংস্কৃতিক ও নগর পরিকল্পনায় এ বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং কুমের স্বাতন্ত্র্য ও মর্যাদা সংরক্ষণ করতে হবে।
কোমের পর্যটন সম্ভাবনার পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবন জরুরি
কোমের বিভিন্ন নগর ও পর্যটন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াদিউস সালাম কবরস্থান এবং শহরের কিছু পরিত্যক্ত আবাসিক ও পর্যটনকেন্দ্রিক স্থাপনা ও কমপ্লেক্সের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও পুনরুজ্জীবন প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এসব স্থান পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন রাফিয়ি আরও বলেন, হযরত ফাতিমা মাসুমা (সা.আ.)-এর পবিত্র মাজার, পবিত্র জামকারান মসজিদ, হাওজায়ে ইলমিয়া এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও সম্ভাবনার কারণে কোম একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ শহর। তাই এ শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনা অবশ্যই এর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
আপনার কমেন্ট