মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর ২০২৬ - ১৫:৩৩
শেখ মাহের হামুদ ‘উম্মাহর শহীদ নেতা’র স্মৃতির ভাণ্ডার খুললেন

প্রতিরোধের আলেমদের বিশ্ব ইউনিয়নের সভাপতি শেখ মাহের হামুদের সঙ্গে মহান শহীদ সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর চার দশকেরও বেশি সময়ের সম্পর্ক ছিল। ১৯৮৩ সালে তাঁদের প্রথম সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে এই সম্পর্কের সূচনা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তা বহু সংগ্রাম, দৃঢ় অবস্থান ও নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে গভীরতর হয়।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘উম্মাহর শহীদ নেতা’ হিসেবে পরিচিত মহান শহীদ সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে বহু স্মৃতিচারণ ও সাক্ষ্য রয়েছে। এই অসাধারণ ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জীবন থেকে যতবারই কোনো ঘটনা তুলে ধরা হয়, ততবারই তাঁর সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহ তৈরি হয়।

প্রতিটি ঘটনা অন্যটির চেয়ে আলাদা এবং প্রতিটি কাহিনি এমন এক নেতার ব্যক্তিত্বের ভিন্ন কোনো দিক তুলে ধরে, ইতিহাসে যার মতো ব্যক্তিত্ব খুবই বিরল। কখনো একই ঘটনা একবার, দুবার কিংবা একাধিকবার শোনা হলেও তা আবার শুনতে ইচ্ছা করে; কারণ সাইয়্যেদের সান্নিধ্যের স্মৃতিতে কখনো একঘেয়েমি আসে না।

সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর বহু স্মৃতি যাঁদের হৃদয়ে ও মনে সংরক্ষিত রয়েছে, তাঁদের অন্যতম হলেন প্রতিরোধের আলেমদের বিশ্ব ইউনিয়নের সভাপতি শেখ মাহের হামুদ।

মহান শহীদের সঙ্গে তাঁর চার দশকেরও বেশি সময়ের সম্পর্ক ছিল, যার সূচনা ১৯৮৩ সালে তাঁদের প্রথম সাক্ষাতের মাধ্যমে।

‘আল-আহদ’ পডকাস্টের নতুন এক পর্বে শেখ মাহের হামুদ তাঁর স্মৃতির ভাণ্ডার খুলে দেন। তিনি তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ, যেসব ঘটনা তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করেছিল, স্মরণীয় বিভিন্ন মুহূর্ত এবং সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর ব্যক্তিত্ব, সম্পর্ক ও অবস্থানের নানা সূক্ষ্ম দিক তুলে ধরেন।

শেখ হামুদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্রথম দিকেই তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে সাইয়্যেদের “মর্যাদা ও অবস্থান অত্যন্ত উচ্চ”।

তিনি জানান, একসময় তিনি সাইয়্যেদের উদ্দেশে কঠোর ভাষায় একটি চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু পরে সাইয়্যেদের জবাবের অসাধারণ প্রজ্ঞা, যুক্তিপূর্ণ পদ্ধতি ও অনন্য বিচক্ষণতা দেখে তিনি বিস্মিত হন।

তিনি দামেস্কে তাঁদের একটি সাক্ষাতের বিভিন্ন ঘটনা এবং সাইয়্যেদ তাঁর সঙ্গে যেসব স্বপ্নের কথা শেয়ার করেছিলেন, সেসবও তুলে ধরেন।

একই সঙ্গে মহররম মাসে তাঁর ইন্তেকাল সম্পর্কে সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ যে কথাগুলো বলেছিলেন, সেগুলোরও বিস্তারিত স্মৃতিচারণ করেন।

এ ছাড়াও শেখ হামুদ সাইয়্যেদের প্রখর বুদ্ধিমত্তা, গভীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাঁর চিন্তার ব্যাপকতা সম্পর্কে নানা কথা বলেন।

তিনি রফিক হারিরির সঙ্গে সাইয়্যেদের একটি সাক্ষাতের ঘটনাও বর্ণনা করেন। এরপর তিনি সাইয়্যেদের জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো এবং তার আগে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাও স্মৃতিচারণের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha